কর্নফুলি নদীতে বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলের ওয়াটারবাস পরিদর্শন
বৃহস্পতিবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » চট্টগ্রাম ও বন্দর

কর্নফুলি নদীতে বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলের ওয়াটারবাস পরিদর্শন

চট্রগ্রামে কর্নফুলি নদীতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দ্রুতগতি সম্পন্ন ওয়াটারবাস সার্ভিস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারারস্ এন্ড এক্সর্পোটারস্ এসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালামসহ বিজিএমইএ’র ২৫ সদস্যের একটি দল।

বর্তমানে চট্রগ্রাম শহর থেকে হযরত শাহ্ আমানত আন্তজার্তিক বিমান বন্দর পৌছতে গড়ে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগে। তাই যানজটের সমস্যা সমাধানের লক্ষে এবং যাত্রীদেকে নিরাপদে ৩০ মিনিটের মধ্যে বিমান বন্দরে পৌছে দেওয়ার জন্য এ বিকল্প ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এই ওয়াটার বাস চালূ হলে চট্রগ্রাম শহরের উত্তর ও দক্ষিনের ট্রাফিক ব্যবস্থার কর্মচাঞ্চল্য বাড়বে।

ওয়াটারবাস কর্তৃপক্ষ বিজিএমইএ পরিচালকবৃন্দকে এই নতুন উদ্ভাবনী ওয়ান ষ্টপ সার্ভিস প্রকল্পটি পরিদর্শন করার জন্য আমন্ত্রন জানালে বি জি এম ই এ এর ২৫ সদস্যের একটি দল গতকাল সন্ধা ৫.১৫ ঘটিকার সময় চট্টগ্রামের সদরঘাটস্থ ওয়াটারবাস টার্মিনালে উপস্থিত হন এবং টার্মিনালের সমস্থসুবিধা সমুহ পরিদর্শন করেন, এরপর তারা টার্মিনাল থেকে ওয়াটারবাস যোগে সন্ধা ৬ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে ৬:২০ মিনিটে পতেঙ্গা ওয়াটারবাস টার্মিনালে পৌছান এবং সেখান থেকে ৩ মিনিটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সাটলবাস যোগে বিমান বন্দর পৌছায় এতে সর্বমোট ২৫ মিনিটে তারা চট্টগ্রাম বিমান বিন্দরে পৌছান, এত অল্প সময়ে বিমান বন্দরে পৌছে তারা আনন্দিত এবং বিস্মিত হন ।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি জনাব মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন, এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের সার্ভিস যা আমরা বিদেশে দেখতে পাই এবং এই প্রকল্পটি মানুষের জীবনের গতিকে আর বৃদ্ধি করবে। এ ধরনের একটি সুন্দর পদক্ষেপকে তিনি সাধুবাদ জানান এবং বিজিএমইএ এর পক্ষ থেকে প্রকল্পটিকে সব ধরনের সহায়তা দেয়ার আশ্বাশ দেন।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম শহরের ট্রাফিক যানজট নিরসনে ’কর্নফুলী নদীতে ওয়াটার বাস সার্ভিস’প্রতিদিন গড়ে ৮০০০ যাত্রী চট্রগ্রাম হযরত শাহ্ আমানত আন্তজার্তিক বিমান বন্দরে আগমন ও বর্হিগমন করেন। যাত্রীদেরকে প্রচন্ড যানযট উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম শহর থেকে বিমান বন্দর যাতায়াত করতে হয়।

খুব শিঘ্রই চট্টগ্রামের টাইগার পাস থেকে বিমান বন্দর পর্যন্ত ফ্লাই অভার ও এক্্রপ্রেসওয়ের কাজও আরম্ভ হবে। এতে ধারনা করা যাচ্ছে যানযটের পরিমান আর ও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে চট্রগ্রাম শহর থেকে হযরত শাহ্ আমানত আন্তজার্তিক বিমান বন্দর পৌছতে গড়ে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ