স্বর্ণ বিক্রির ওপর ভ্যাট কমানোর দাবি বাজুসের
বৃহস্পতিবার, ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

স্বর্ণ বিক্রির ওপর ভ্যাট কমানোর দাবি বাজুসের

স্বর্ণের কাঁচামাল হিসেবে আমদানি শুল্ক ও স্বর্ণ বিক্রির ওপর ভ্যাট কমানোর দাবি জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

আজ সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা ও অভিষেক বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, দীর্ঘদিন পর স্বর্ণ আমদানি নীতিমালা করেছে সরকার। নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণের আমদানির বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে। সেখানে স্বর্ণের বারের পাশাপাশি স্বর্ণালঙ্কার আমদানির কথা বলা হয়েছে। বাজুসের দাবি, দেশের ব্যবসায়ী ও কারিগরদের স্বার্থে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি যেন না হয়। কারণ, এ মুহূর্তে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি হলে দেশের কারিগররা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে স্বর্ণ বিক্রির ওপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট নির্ধারিত আছে। এটা ক্রেতাকে দিতে হয়। ক্রেতা এতো বেশি ভ্যাট দিতে চান না। ভোক্তার সুবিধার্থে এ ভ্যাট হার কমিয়ে দেড় শতাংশ প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যুগ যুগ ধরে দেশের একটা বিশাল গোষ্ঠী স্বর্ণালঙ্কার তৈরিতে কাজ করছে। এখন যদি অলঙ্কার আমদানি হয় তাহলে তারা বেকার হয়ে যাবেন। তাই তাদের কথা চিন্তা করে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি যেন না হয় সে বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা বিভিন্ন মহল থেকে শুনতেছি বিদেশি বিভিন্ন জুয়েলারি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে ব্যবসা করতে চাচ্ছে। যেহেতু দীর্ঘদিন পর আমাদের স্বর্ণ নীতিমালা হয়েছে। স্বর্ণ একটি মূল্যবান ও স্পর্শকাতর ধাতু। এজন্য এর সংকুচিত ভিত্তি মূল্য ১০ শতাংশ ধায্য পূর্বক উক্ত ধায্যকৃত মূল্যের ১৫ শতাংশ হারে মোট বিক্রয়ের ওপর ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব রাখছি।

তিনি বলেন, একই দাবি আমরা বাজেট প্রস্তাবে দিয়েছিলাম। এছাড়া বাজেট প্রস্তাবনায় মূসক নিবন্ধনকারী শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ, মূসক ১ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ, ৪ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছিলাম, আশা করি সরকার এগুলো বিবেচনায় নেবে। এছাড়া পলিশ/ফিনিসড ডায়মন্ডের আমদানির ক্ষেত্রে সর্বমোট শুল্ক ২৫ শতাংশ, আরডি ৩ শতাংশ, সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ, মূসক ১৫ শতাংশ, অগ্রিম মূসক ৫ শতাংশ, এটিভি ৪ শতাংশসহ মোট ৮৯ দশমিক ৪২ শতাংশ আরোপ করার প্রস্তাব করছি। এই মুহূর্তে যদি বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠান দেশের বাজারে ব্যবসা শুরু করে তাহলে আমাদের দেশীয় শিল্প বিকাশে বাধাগ্রস্ত হবে। তাই বিদেশি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানকে যেন এখন দেশে ব্যবসা করার অনুমতি না দেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বাজুস সভাপতি এনামুল হক খান দোলন ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালাসহ সংগঠনের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসূচক/এনএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ