স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স পেয়েছে ১৮ প্রতিষ্ঠান
বুধবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স পেয়েছে ১৮ প্রতিষ্ঠান

দেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো  নির্দিষ্ট অঙ্কের কর দিয়ে বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি করতে পারবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সাময়িকভাবে দুই বছরের জন্য এই লাইসেন্স দেয়া হয়েছে।

লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগই অলঙ্কার প্রস্তুতকারক বা জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান। অবশ্য এদের মধ্যে ব্যাংকসহ এক দুটি অন্য খাতের প্রতিষ্ঠানও আছে বলে জানা গেছে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম জানা যায়নি।

রোববার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে ডিলারশিপ অনুমোদনের কপি হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম ১৮ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি নাম প্রকাশ করেত রাজি হননি।

জানা যায়, স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড।

রোববার বিকালে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. খুরশীদ ওয়াহাবের হাত থেকে স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপের কপি গ্রহণ করেন।

তালিকায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ছাড়াও আমিন, ভেনাস ও শারমিন জুয়েলার্সের মতো প্রতিষ্ঠানের নাম আছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া একমাত্র ব্যাংক হিসেবে রয়েছে বেসরকারি খাতের মধুমতি ব্যাংক।

জানা যায়, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বার্ষিক প্রায় ১৫ থেকে ২০ মেট্রিক টন স্বর্ণের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানির সুযোগ না থাকায় এর সিংহ ভাগ পূরণ হচ্ছে চোরচালানের মাধ্যমে আসা স্বর্ণ দিয়েই। এতে প্রতি বছর বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এই প্রেক্ষাপটে গত বছরের অক্টোবরে স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতিমালার আওতায় স্বর্ণ আমদানির ডিলারশিপের লাইসেন্স দিতে চলতি বছরের ১৯ মার্চ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি শুরু হলে চোরাই পথে এর আমদানি কমে আসবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এই বিভাগের আরো সংবাদ