ফেসবুক-ইউটিউব আইনের আওতায় আসছে
সোমবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ফেসবুক-ইউটিউব আইনের আওতায় আসছে

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিশ্বে সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্তি, চরিত্রহনন, গুজব ছড়ানো একটি বড় সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে ফেসবুক, ইউটিউবসহ সার্ভিস প্রোভাইডারকে আইনের আওতায় আনতে উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশেও বিধিমালা তৈরি হচ্ছে।

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র, চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এ বৈঠকের আয়োজন করে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে বেসরকারি টিভির যাত্রা শুরু হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। আরও ১১টি টিভি সম্প্রচারে আসার অপেক্ষায় আছে। ১১ বছরে সাড়ে তিন গুণ বেড়েছে। প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এ খাতে। টিভি নতুন প্রজন্মের মনন তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কৃষ্টি সংস্কৃতি লালনের পাশাপাশি দেশ জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, টিভি বাড়ায় বিজ্ঞাপন ভাগ হয়ে যাচ্ছে। ৪০০-৫০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বিদেশে চলে যাচ্ছে। যা বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছি। সম্প্রচার মাধ্যম পুরোপুরি ডিজিটালাইজড হলে বিদেশেও বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে। সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপনে কর আরোপের জন্য এনবিআরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ক্যাবল অপারেটরদের জন্য টিভিগুলোর সিরিয়াল করে দেওয়া হয়েছে। ছয় দশকে ভারতে কখনো আমাদের টেলিভিশন দেখা যেত না। আমাকে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব দেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে এ কাজটি সম্পন্ন করেছি।

তিনি বলেন, আগামী মাস থেকে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র ১২ ঘণ্টা সম্প্রচারে যাবে। কয়েক মাসের মধ্যে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র টেরিস্টরিয়াল সেবার মাধ্যমে সারাদেশে দেখা যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান।

মেয়র বলেন, এখন টিভির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। আগামী দিনের টিভির চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। বেসরকারি টিভি সরকারি গাইডলাইনে সম্প্রচার হয়। দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। তাহলে দর্শকের আস্থাহীনতা তৈরি হবে না। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংবাদ পরিবেশন করা উচিত। তাহলে দর্শকের আস্থা বাড়বে। দেশ লাভবান হবে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মধ্য দিয়ে রুটি রুজি নিশ্চিত করা সম্ভব।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ