ইনিংস পরাজয়ই হলো বাংলাদেশের
রবিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ইনিংস পরাজয়ই হলো বাংলাদেশের

মায়াঙ্ক আগারওয়ালের ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে দ্বিতীয় দিনেই ৩৪৩ রানে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। দেখার বিষয় ছিল তৃতীয় দিন সকালে লিডটাকে কোথায় নিয়ে ঠেকায় তারা। বিশেষ করে রবিন্দ্র জাদেজা ৬০ রানে অপরাজিত থাকায়, তার ব্যাটেই নির্ভর করছিল অনেক কিছু।

তবে তৃতীয় দিন আর ব্যাটিংয়ে নামেনি না স্বাগতিকরা। বরং ইনিংস ঘোষণা করে দিয়েছে আগের দিনে করা ৬ উইকেটে ৪৯৩ রানেই। ফলে প্রথম ইনিংসে ৩৪৩ রানের বিশাল লিড পায় ভারত। এই রান অতিক্রম করে ভারতের সামনে লক্ষ্য ছুড়ে দেয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়ায় বাংলাদেশের সামনে।

৩৪৩ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ইনিংস হার বাঁচানোই মুমিনুলদের প্রথম লক্ষ্য ছিল। তবে সেটা আর হয়ে ওঠনি। ২১৩ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ফলে এক ইনিংস ও ১৩০ রানে জয় পায় ভারত।

দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে টস জিতে প্রথম ইনিংসে মুমিনুল-মুশফিকরা অলআউট হয় মাত্র ১৫০ রানে। সেখানে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতের ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল একাই করেছেন ২৪৩ রান।

ইন্দোরে ভারতীয় এই ওপেনারের ডাবল সেঞ্চুরি আর চেতশ্বর পূজারা-আজিঙ্কা রাহানে-রবীন্দ্র জাদেজার ফিফটিতে রানের পাহাড় গড়ে টিম ইন্ডিয়া। দ্বিতীয় দিন শেষে ১১৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ভারত তোলে ৪৯৩ রান। তাতে বাংলাদেশের থেকে এগিয়ে থাকে ৩৪৩ রান।

চেতশ্বর পুজারা ৫৪ রানে বিদায় নেন। অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে ‘ডাক’ উপহার দেন আবু জায়েদ রাহি। অষ্টম টেস্ট খেলতে নেমে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ওপেনার আগরওয়াল ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকান। সেঞ্চুরির পথে ছুটতে থাকা আজিঙ্কা রাহানেকে ফিরিয়েছেন আবু জায়েদ রাহি। রাহানে সাজঘরে ফেরেন ৮৬ রান করে। তার ১৭২ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৯টি বাউন্ডারিতে। রাহানে-মায়াঙ্ক ১৯০ রানের জুটি গড়েন।

আগরওয়াল ৩৩০ বলে ২৪৩ রানের ইনিংসটি সাজান ২৮ চার ও ৮ ছক্কায়। ১২ রান করা রিদ্ধিমান সাহাকে বোল্ড করেন এবাদত হোসেন। দিন শেষে রবীন্দ্র জাদেজা ৭৬ বলে ৬টি চার আর দুটি ছক্কায় ৬০ রানে আর উমেস যাদব ১০ বলে একটি চার আর তিনটি ছক্কায় ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

১০৮ রান খরচায় ভারতের ছয়টি উইকেটের চারটিই তুলে নিয়েছেন পেসার আবু জায়েদ রাহি। রান দেওয়ার ক্ষেত্রে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন একটি করে উইকেট পাওয়া মেহেদি হাসান মিরাজ আর এবাদত হোসেন। কোনো উইকেট না পাওয়া তাইজুল ইসলামও ‘সেঞ্চুরি’র খাতায় নাম লিখিয়েছেন।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ