দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহাত্মা গান্ধীর!
মঙ্গলবার, ৯ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহাত্মা গান্ধীর!

মহাত্মা গান্ধীকে গুলি করা হয়নি। তার মৃত্যু ছিল ‘দুর্ঘটনা’। এমন দাবি করা হয়েছে ভারতের উড়িষ্যার সরকারি স্কুলের বইয়ে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে হইচই পড়ে গেছে। পড়ূয়াদের ভুলে ভরা ইতিহাস পড়ানোর জন্য রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সমাজকর্মী সবাই সোচ্চার হয়েছেন। খবর এনডিটিভির

ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, ওই ঘটনার জন্য উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েককে ক্ষমা চাইতে হবে বলে অবিলম্বে মারাত্মক ওই ভুলটি ঠিক করে নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, উড়িষ্যার স্কুল ও জনশিক্ষা মন্ত্রী সমীররঞ্জন দাস জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে বির্তক শুরু হতেই তদন্ত করা হচ্ছে বলে। এর জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি মহাত্মা গান্ধীর ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দু পাতার একটি বুকলেট প্রকাশ করে উড়িষ্যা শিক্ষা দপ্তর। ‘আমাদের বাপুজী: এক ঝলক’ নামে ওই বুকলেটে সংক্ষিপ্ত আকারে মহাত্মা গান্ধীর জীবনী, কর্মকাণ্ড এবং উড়িষ্যার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়েছে। আর সেখানেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি দিল্লির বিড়লা হাউসে দুর্ঘটনাজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়।

এই বুকলেটের কথা প্রকাশ্যে আসার পরে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন উড়িষ্যার প্রাক্তন মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা নরসিংহ মিশ্র।

তিনি বলেন, মারাত্মক ও ক্ষমার অযোগ্য ভুল হয়েছে। সরকারের মাথা হিসেবে বুকলেটে ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য অবিলম্বে পট্টনায়েকের ক্ষমা চাওয়া উচিত। ওই বুকলেটও বাতিল করে দেওয়া হোক।

তিনি বিজু জনতা দলের সরকার গান্ধী বিদ্বেষীদের পক্ষ নিয়ে মহাত্মা সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন।

তিনি দাবি করেন, প্রত্যেকটি শিশুর অধিকার আছে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী কীভাবে মারা গেলেন সেই ঘটনা জানার। কিন্তু, তার বিরোধীদের খুশি করতে গিয়ে মিথ্যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

সিপিএম-সহ অন্য বিরোধীরাও বলছে, গান্ধী বিরোধীদের সন্তুষ্ট করতেই ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ