ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে বাসার কাজ খুঁজছেন গৃহপরিচারিকা
মঙ্গলবার, ১০ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে বাসার কাজ খুঁজছেন গৃহপরিচারিকা

বাসার কাজের লোক বলে আপনি পাত্তা দেবেন না, এটি আর হচ্ছে না। এখন কাজের লোকেরাও (Housemaid) রীতিমতো ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে কাজ খুঁজছেন। গীতা কালে, ভারতের পুণের এক গৃহপরিচারিকা সম্প্রতি তার ভিজিটিং কার্ড দিয়ে কাজের সন্ধান শুরু করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর সেই কার্ড দেখেই হুমড়ি খেয়ে পড়লেন অনেকেই। একের পর এক কাজের অফার পেলেন গীতা।

তবে তাকে ওই কার্ড তৈরি করতে সাহায্য করেছেন এক গৃহকর্ত্রী ধনশ্রী শিন্ডে। গীতা কালে এবং ধনশ্রী শিন্ডের অবিশ্বাস্য গল্পটি দু’দিন আগে ফেসবুকে শেয়ার করেছিলেন অস্মিতা জাভড়েকর, দেখতে দেখতে তা ভাইরাল হয়েছে। তার অ্যাকাউন্টে অস্মিতা এই বিজনেস কার্ড তৈরির আগের গল্পটি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

অস্মিতা বলেন, ধনশ্রী একদিন বাড়ি ফিরে গিয়ে দেখেন তাদের বাড়ির গৃহপরিচারিকা গীতা মাসি খুব হতাশ। কেননা এক বাড়ি থেকে তাকে কাজে আসতে বারণ করেছে, যেখানে মাসে ৪ হাজার টাকা বেতন পেতেন তিনি।
এরপরেই ধনশ্রী তার গৃহপরিচারিকার জন্যে একটি অত্যাধুনিক ভিজিটিং কার্ড বানিয়ে দেন। আপাতত ১০০টি ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়েছেন তিনি।

ভিজিটিং কার্ডে নিজের পরিচয় দিয়েছেন গৃহপরিচারিকা গীতা কালে। পাশাপাশি কোন কাজের জন্যে তিনি ঠিক কত পারিশ্রমিক দাবি করছেন তাও লেখা আছে ওই কার্ডে। যেমন ঘর সাফাইয়ের জন্যে প্রতি মাসে ৮০০ টাকা, জামা কাপড় কেচে দেওয়ার জন্যে মাসিক আরও ৮০০ টাকা এবং রুটি তৈরির জন্যে প্রতি মাসে ১০০০ টাকা পারিশ্রমিক ধার্য করা হয়েছে ওই ভিজিটিং কার্ডে। পাশাপাশি অন্য কাজের জন্যে আলাদা করে পারিশ্রমিক লাগবে যে সে কথাও বলা আছে। শুধু তাই নয়, কাজের মাসি গীতা কালের নাম পরিচয় যে আধার কার্ড অনুযায়ী যাচাই করা সেই কথাও উল্লেখ করা হয়েছে ভিজিটিং কার্ডে।

জানা গেছে, এই ভিজিটিং কার্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পর থেকেই আর কিছুতেই থামছে না গীতার মোবাইল। কেননা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাকে কাজের অফার দিয়ে ফোন করছেন বহু লোক।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ