খেলাপি হলেই ঋণ অবলোপন!
শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

খেলাপি হলেই ঋণ অবলোপন!

মন্দমানের ঋণের বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন রেখে সঙ্গে সঙ্গে অবলোপন করার সুপারিশ করেছেন ব্যাংকিং খাতের এমডিরা। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি হওয়ার পরেও অবলোপন করার জন্য তিন বছর অপেক্ষা করতে হয়। এই নীতিমালা থেকে অব্যাহতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সুপারিশ করেছে ব্যাংকের নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের একটি বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৈঠকে সভাপতিত্বে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর মনিরুজ্জামান, ব্যাংকিং রিচার্জ উপদেষ্টা এসকে সুর চৌধুরী এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দের একটি দল।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ঋণ পুনঃতফসিল, খেলাপি ঋণ অবলোপন, ইন্টারনাল ক্রেডিট রেটিংসহ (আইসিআরআর) বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন মাস শেষে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। এরমধ্যে কু-ঋণ বা মন্দ ঋণের পরিমাণ ৯৭ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা। যেকোনো সময় অবলোপনের সুযোগ পেলে কু-ঋণের পুরো অর্থ হিসাব থেকে বাদ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো। অর্থাৎ নীতিমালা কার্যকর হলে খেলাপি ঋণ দাঁড়াতে পারে মাত্র ১৪ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ব্যাংকিং খাত আরও সঙ্কটে পড়তে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বপ্রথম অবলোপন নীতিমালা শিথিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ৫ বছরের পরিবর্তে ৩ বছরের অনাদায়ী খেলাপি ঋণ হিসাব থেকে বাদ দিতে পারছে ব্যাংকগুলো। আগে মামলা ছাড়া ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অবলোকন করতে পারতো। কিন্তু এখন দুই লাখ টাকা পর্যন্ত খেলাপি ঋণ মামলা ছাড়াই অবলোপন করতে পারছে তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে মোট অবলোপনকৃত ঋণের পরিমাণ ৪০ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা।

অর্থসূচক/জেডএ/এএইচআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ