প্রিয়জনকে চুমু খেলে দূর হবে মানসিক হতাশা!
শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

প্রিয়জনকে চুমু খেলে দূর হবে মানসিক হতাশা!

শরীর ভাল রাখতে চুমু খাওয়া দরকার। এমনকি ওজন কমাতেও পারে এই যাদুকাঠি। চলুন, দেখে নিই চুমুর আর কী কী উপকারিতা রয়েছে।

প্রেমিক বা প্রেমিকার ঠোঁটে গভীর চুমু এঁকে দেয়ার সময় দ্বিগুণ বেড়ে যায় মেটাবলিজম ৷ ট্রেডমিলে জগিং করার সময় প্রতি মিনিটে খরচ হয় ১১.২ ক্যালোরি ৷ ২ মিনিটের বেশি স্থায়ী দীর্ঘ গভীর চুম্বনে খরচ হয় এর সমান ক্যালোরি ৷ ফলে জিমে ঘাম না ঝরিয়েই শুধু ভালবাসার চুম্বনেই কমতে পারে ওজন।

আমেরিকার লুইসবিলে ইউনিভার্সিটি নিজেদের একটি গবেষণাপত্রে জানিয়েছে, চুম্বন করলে মনের সঙ্গে সঙ্গে তরতাজা হয় শরীরও ৷ অ্যাড্রিনাল নিঃসরণের সঙ্গে সঙ্গে চুমুতে বাড়ে শরীরে রক্ত চলাচলের গতি ৷ আমেরিকার লুইসবিলে ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ব্রায়ন্ড স্ট্যামফোর্ড তার গবেষণাপত্রে জানিয়েছেন, হাল্কা চুম্বনের সময়ও প্রতি মিনিটে ২ ক্যালোরি বার্ন করে মানুষ ৷ গভীর দীর্ঘ চুম্বন হলেতো কথাই নেই ৷ প্রতি চুমুতে খরচ হয় ৬ ক্যালোরি ৷

চুমু দিলে স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধন সুদৃঢ় হয়। চিকিৎসকদের ভাষায়, চুমু দিলে অক্সিটোসিন হরমোন উৎপাদন হয়। এটি একে অন্যের মধ্যে বন্ধন সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। যৌন মিলন যে স্বামী-স্ত্রীকে শারীরিক আনন্দ দেয় এটি নতুন করে বলার কোনও প্রয়োজন পড়ে না। তবে চুমু তাদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। শারীরিক সম্পর্কের আগে ফোরপ্লে-এর সময়ে প্রতি চুম্বনে খরচ হয় প্রায় ৯ ক্যালোরি ৷ অন্যদিকে, শারীরিক সম্পর্কের সময় ৫০০ থেকে প্রায় ১০০০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরিয়ে ফেলে শরীর। ফলে শারীরিক কসরতের মতোই ওজন কমাতে কার্যকরী এই উপায়ও।

চুমু মানুষের শরীরের স্ট্রেস হরমোনর কার্যক্ষমতা কমিয়ে আনে। এটি মানুষকে বিষাদের হাত থেকে মুক্তি দিয়ে ফুরফুরে মেজাজে থাকতে সাহায্য করে। চুমু মানুষের চেহারায় তারুণ্য ভাব বজায় রাখে। যদিও এর কারণে শরীরের কিছু ক্যালোরি ক্ষয় হয় তারপরও এটি মানুষের শরীরের জন্যে খুব উপকারী।

যদি কোনও কারণে কেউ মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত থাকে তাহলে তার কোনও মনোবিদের কাছে যাওয়ার দরকার নেই। সে তার স্ত্রীকে চুম্বন করলেই তার মানসিক হতাশা দূর হয়ে যাবে। যতি কখনও কারও মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা করে তাহলে স্ত্রী বা স্বামীকে খুব কাছে টেনে নিয়ে লিপ কিস করুন। তাহলে দেখবেন সঙ্গে সঙ্গেই আপনার ব্যথা দূর হয়ে যাবে।

চুমুর মাধ্যমে নারী-পুরুষের একে অপরের থুথু বিনিময় হয়। এটি মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানুষের শরীরের ইমমুনি সিস্টেম স্বাভাবিক রাখে।

জানা গেছে, নিয়মিত চুমুতে ফিল গুড হরমোনদের ক্ষরণ নিয়মিত থাকে। ফলে, শরীর টোন্ড থাকে। অবাঞ্ছিত মেদ বা ক্যালোরি ঘাঁটি গাড়তে পারে না। বরং অনিয়মের যেটুকু মেদ, তাও গলে যায় সহজেই।

এছাড়াও চুমুর আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি মানুষের মধ্যে শুধু আন্তরিকতার বন্ধনই বৃদ্ধি করে না এটি মানুষের স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও অনেক কার্যকরী।

অর্থসূচক/এনএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ