ArthoSuchak
শুক্রবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ধর্ষকদের তাড়িয়ে ফের ধর্ষণ, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আটক

ভোলার মনপুরা উপজেলায় স্পিডবোটের চার যাত্রী এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করছেন বলে মালিককে খবর দেন স্পিডবোটের চালক। খবর পেয়ে মালিক এসে ওই চারজনকে মারধর করে ও টাকা ছিনিয়ে নিয়ে নিজেও ধর্ষণ করেন ওই নারীকে। শনিবার বেলা একটার দিকে উপজেলার চর পিয়ালে এক বাগানের মধ্যে গণধর্ষণের এ অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত স্পিডবোট মালিক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুলকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২৭ অক্টোবর) রাতে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়ায় অবস্থিত নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে গত শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ছয়জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন ঘটনার শিকার ওই গহবধূ। আটক নজরুল মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।

গত শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশনের বেতুয়া লঞ্চঘাট থেকে স্পিডবোটে করে মনপুরায় যাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূ। পথে স্পিডবোটের চার যাত্রী তাঁকে জোর করে চরপিয়ালে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষণকাণ্ডে যোগ দেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল। চরের মহিষের বাথানরা (যারা চরে মহিষ পালন করে) ঘটনাটি দেখে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চরপিয়াল থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে স্পিডবোটে করে মনপুরায় নিয়ে আসা হয়।

ওই সংঘবদ্ধ ধর্ষণে অভিযুক্তরা হলেন দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম (৩০), স্পিডবোটের যাত্রী বেলাল পাটোয়ারী (৩৫), মো. রাশেদ পালোয়ান (২৫), শাহীন খান (২২) ও কিরণ (২৬)। এদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। মামলার অন্য আসামি হলেন বোটচালক রিয়াজ।

ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ জানান, চরফ্যাশনের বাবার বাড়ি থেকে তিনি মনপুরায় শ্বশুরবাড়িতে ফিরছিলেন। চরফ্যাশনের বেতুয়া লঞ্চঘাটে গিয়ে মনপুরার জনতাঘাটের লঞ্চ পাননি তিনি। পরে জনতাগামী একটি স্পিডবোটে ওঠেন। ওই স্পিডবোটে আরো দুজন পুরুষ যাত্রী ওঠেন। পথে জনতার খালের পাড় থেকে ওঠেন আরো দুজন। একপর্যায়ে ওই যাত্রীরা স্পিডবোটচালককে জোর করে চরপিয়ালে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তারা ধর্ষণ করেন ওই গৃহবধূকে।

ওই স্পিডবোটটির মালিক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম। চারজন মিলে গৃহবধূকে ধর্ষণের খবর পেয়ে তিনি জনতা থেকে আরেকটি স্পিডবোটে চরপিয়ালে যান। সেখানে ওই চারজনকে মারধর করেন। পরে তিনি তাদের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা রেখে ছেড়ে দেন। এরপর তিনি নিজেও গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন এবং মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করেন।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ