ArthoSuchak
রবিবার, ২৯শে মার্চ, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

র‌্যাগিং বন্ধ ও আবরার হত্যায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করেন।

রিটে আওয়ামী লীগের সভাপতি, বিএনপির সভাপতি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, অর্থ সচিব, বুয়েটের উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ মোট ১৩ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েটের সিনিয়র শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতারা।

এ ঘটনায় ৯ অক্টোবর র‌্যাগিং বন্ধ ও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র সচিব, শিক্ষা সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

সেই নোটিশে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক সহায়তার জন্য অ্যান্টি র‌্যাগিং কমিটি গঠন এবং মনিটরিংয়ের জন্য অ্যান্টি র‌্যাগিং স্কোয়াড গঠনে সাতদিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, অনেক স্বপ্ন আর আশা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা তরুণদের স্বপ্ন সিনিয়রদের র‌্যাগিংয়ের কারণে শেষ হয়ে যায়। র‌্যাগিংয়ের নামে সিনিয়ররা নতুনদের কান ধরে ওঠবস করানো, রড দিয়ে পেটানো, পানিতে চুবানো, উঁচু ভবন থেকে লাফ দেয়া, সিগারেটের আগুনে ছ্যাঁকা দেয়া, গাছে উঠানো, ভবনের কার্নিশ দিয়ে হাঁটানো, এমনকি দিগম্বর করা পর্যন্ত করে।

প্রসঙ্গত, গত রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে আবরারকে হলের কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার কয়েকজন সদস্য। নির্যাতনের পর রাত আড়াইটার দিকে হলের সিঁড়ির পাশে আবরারকে ফেলে রাখে তারা। পরে ডাক্তারকে খবর দিলে তিনি এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন সোমবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজার থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহত আবরারের বাবা।

অর্থসূচক/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ