সামিটে ৩৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে জেরা
রবিবার, ২৬শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

সামিটে ৩৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে জেরা

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বৃহৎ জ্বালানি অবকাঠামো স্থাপনের পদক্ষেপ হিসেবে জাপানের বৃহত্তম জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান জেরা, সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের (সামিট) ২২ শতাংশ মালিকানায় বিনিয়োগ করেছে যার পরিমান ৩৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপানে রাষ্ট্রীয় সফরকালে তার উপস্থিতিতে সামিট গ্রুপের পক্ষে পরিচালক ফয়সাল করিম খান এবং জেরা-এশিয়ার সিইও তোসিরো কুদামা মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তির (এমওইউ) ধারাবাহিকতায় জেরা এই বিনিয়োগ চূড়ান্ত করেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সামিট এবং জেরার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ধারাবাহিকতায় পরবর্তী মাত্র ৪ মাসের মধ্যে এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হয়েছে।

এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, এমপি, মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক ও মিডি (মহেশখালি-মাতারবাড়ি সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম)-এর চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ, জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এবং সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান।

সামিট পাওয়ারের শেয়ারহোল্ডার হিসেবে, জেরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে দক্ষ নির্মাণ এবং পরিচালনার মাধ্যমে সামিট পাওয়ারের কর্পোরেট ভ্যালু বৃদ্ধির প্রচেষ্টার পাশাপাশি বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য কাজ করবে।

সামিটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান এই বিনিয়োগ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, “বাংলাদেশের দ্রুত ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জন্য অতীব প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এবং বিনিয়োগ জেরার মাধ্যমে সহজলভ্য হবে কেননা তাদের রয়েছে সুবিশাল অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগ সক্ষমতা। জেরা সর্বাংশে আমাদের শ্রেষ্ঠ অংশীদার হতে পারে। এই অংশীদারিত্ব আমাদের ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ কার্যক্রমে সহায়তা করবে।”

জেরা-এশিয়ার সিইও তোসিরো কুদামা বলেন, “এই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, জেরা বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে সামিটের সাথে কাজ করবে। আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা আছে জাতীয় পর্যায়ে সামিটের অপ্রতিদ্বন্দ্বী সক্ষমতায়। ভবিষ্যতে আমরা সামিটের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখবো। আমরা সামিটের সাথে বাংলাদেশের জন্য শুধু নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনই করবো না, প্রাথমিক জ্বালানিও সরবরাহ করবো। জেরার লক্ষ্য হলো বিশ্বের জ্বালানির খাতের অর্ন্তনিহিত সমস্যার সর্বাঙ্গিক সমাধান দেওয়া।” জেরার ‌ আকাঙ্ক্ষা হলো শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন এবং সেই উদ্দেশ্যে জেরা সামিটকে অভিজ্ঞ মানবসম্পদ এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।

অর্থসূচক/এমএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ