১৫০০ ডলারের বেশি রেমিট্যান্সে পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক
বৃহস্পতিবার, ১১ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

১৫০০ ডলারের বেশি রেমিট্যান্সে পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের গুরুত্ব বিবেচনায় দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে সরাকার। তবে ১৫০০ ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠালে প্রয়োজন হবে পাসপোর্টসহ বেশকিছু কাগকের।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রধান ও প্রধান নির্বাহীদের অবগত করা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়, একজন প্রবাসীর রেমিট্যান্সের উপর প্রতিবারে সর্বোচ্চ ১৫০০  মার্কিন ডলার সমমূল্যের অর্থের জন্য ২ শতাংশ হারে কোনো প্রকার কাগজপত্র ছাড়াই প্রণোদনা সুবিধা প্রযোজ্য হবে। তবে এর চেয়ে পরিমাণের বেশী লেনদেনে প্রাপককে রেমিট্যান্স প্রেরকের বৈধ কাগজপত্র (যেমন: পাসপোর্টের কপি এবং বিদেশি নিয়োগদাতা কর্তৃক প্রদত্ত নিয়োগপত্রের কপি/বিএমইটি প্রদত্ত সনদপত্রের কপি, ব্যবসায় নিয়োজিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবসার লাইসেন্সের কপি ইত্যাদি)  ব্যাংক শাখায় দাখিল করার পর নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে। বিধিবহির্ভূতভাবে নগদ সহায়তা গ্রহণের প্রমাণ পাওয়া গেলে পরবর্তীতে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না।

বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোর সাথে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় পরিচালিত বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউজ অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে আলোচ্য অর্থ প্রত্যাবাসিত হতে হবে বলেও জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক নগদ সহায়তা বাবদ পরিশোধিত অর্থের বিবরণী মাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিল করবে। নগদ সহায়তা বাবদ পরিশোধিত অর্থের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি বাংলাদেশ ব্যাংকের বা সরকারি বাণিজ্যিক নিরীক্ষা বিভাগে যাচাই এর জন্য পরিশোধের তারিখ হতে অন্যূন ৩(তিন) বছর পর্যন্ত শাখায় সংরক্ষণ করবে।

বিধিবহির্ভূতভাবে প্রণোদনার নামে অর্থ প্রদান করলে প্রদত্ত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হিসাব বিকলনপূর্বক আদায় করা হবে। অনিয়মের সাথে জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংক, নগদ সহায়তা প্রদানের জন্য একটি পৃথক টাকা হিসাব পরিচালনা করবে। প্রাপকের হিসাব রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংক ভিন্ন অন্য কোন ব্যাংকে হলে রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংক ২ শতাংশ নগদ সহায়তাসহ বিইএফটিএন, আরটিজিএস, এনপিএসবি বা এমএফএস এর মাধ্যমে তার (প্রাপকের)হিসাবে জমা করবে।

প্রাপক কর্তৃক রেমিট্যান্স গ্রহণের দিন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করা সম্ভব না হলে পরবর্তী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে তা উপস্থাপন করলে রেমিট্যান্স প্রদানকারী ব্যাংকে তাকে প্রাপ্য নগদ সহায়তা প্রদান করবে। রেমিট্যান্স এর অর্থ ফেরত প্রদানের মত কোন পরিস্থিতির উদ্ভব হলে নগদ সহায়তাসহ সমুদয় রেমিট্যান্স অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে শুধু নগদ সহায়তা রেমিট্যান্স আহরণকারী ব্যাংককে ফেরত প্রদান করতে হবে।

এ প্রণোদনা ১ জুলাই ২০১৯ থেকেই কার্যকর হবে।

অর্থসূচক/জেডএ/এমএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ