বিদেশি টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখালে জেল-জরিমানা
বৃহস্পতিবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বিদেশি টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখালে জেল-জরিমানা

বিদেশি টেলিভিশনে দেশীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচারে সরকারি অনুশাসন লঙ্ঘন করলে জেল-জরিমান সোমবার (০১ জুলাই) থেকে কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, সোমবার থেকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইননুযায়ী ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। মোবাইল কোর্ট এ ধরনের অপরাধে জন্য আইননুযায়ী সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা জরিমানা অথবা দু’বছরের জেল দিতে পারবে।

সোমবার সচিবালয়ে সমসমায়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশি টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করার জন্য ক্যাবল অপারেটরদের সময় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিলো। সে সময় রোববার (৩০ জুন) সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার থেকে আইননুযায়ী যে নির্দেশনা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। সেগুলো যদি অনুসরণ, পালন ও আইন মানা না হয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আমরা নোটিশ জারি করেছি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য মন্ত্রণালয় জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছে। যেখানে আইন ভঙ্গ হবে সেখানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি বাংলাদেশের স্বার্থে গণমাধ্যমের স্বার্থে এবং আইন সমুন্নত রাখতে আমরা এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

মোবাইল কোর্ট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মোবাইল কোর্ট আইননুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। সেক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট ২ বছরের জেল ও জরিমানাসহ লাইসেন্স বাতিল করতে পারবে। প্রাথমিক অপরাধের জন্য ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা। দ্বিতীয় বার অপরাধের জন্য এক লাখ থেকে দু’ লাখ টাকা জরিমানাসহ কারাদণ্ড দিতে পারবে। সে ক্ষমতা মোবাইল কোর্টের আছে।

এ বিষয়ে আর কি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে জানতে চাওয়া হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমরা বিটিভির কর্মীদের নজর রাখতে বলেছি। জেলা প্রশাসকদের তো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য। এজন্য দেশ, জনগণ ও গণমাধ্যমের স্বার্থে আমরা সবার সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, মোবাইল কোর্টের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ অপরাধ কোথায় হচ্ছে সেটা দেখতে হবে। তবে আগের থেকে দেশি বিজ্ঞাপন প্রদর্শন কিছুটা কমেছে। বিদেশি বিজ্ঞাপন কিছুটা প্রদর্শন হচ্ছে। সেখানে আইননুযায়ী বাস্তবতার নিরিক্ষে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা হবে। মোবাইল কোর্ট ছাড়াও অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

কেবল অপারেটররা আবার সময় চাইবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা সময় চেয়েছিলো। আমরা সময় দিয়েছি। জানুয়ারি মাস থেকে এ পর্যন্ত ৬ মাস সময় পেয়েছে। তারা আরও সময় চায়। তবে অনিদির্ষ্টকালে জন্য তো আর সময় দেওয়া যায় না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী আইনে যে ক্রম করে দেওয়া হয়েছে। কেবল অপারেটররা তা অনুসরণ না করলে প্রথমে সরকারি টেলিভিশন এরপর অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। দেখা গেছে সম্প্রচার শুরুর তারিখ থেকে তাদের জন্য যে ক্রম করে দেওয়া হয়েছে তা স্থানীয় অনেক কেবল অপারেটররা বিভিন্নভাবে তারা নিজেদের ইচ্ছামতো বিজ্ঞাপন ও অনুষ্ঠানমালা প্রদর্শন করেন। এগুলো করলে আমরা তাদের আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।

অর্থসূচক/এমএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ