রোগ নির্ণয় ঠিক হয়েছে, তবে ওষুধে ভুল
রবিবার, ১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

রোগ নির্ণয় ঠিক হয়েছে, তবে ওষুধে ভুল

কিছু সংশোধনীর মধ্য দিয়ে শনিবার ২০১৯ সালের অর্থবিল পাস হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসারে পুঁজিবাজারসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে কর-ভ্যাট ও আমদানি শুল্কের পরিবর্তন আনা হয়েছে তাতে।

অর্থবিল তথা ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত কোম্পানি ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ এবং রিটেইন্ড আর্নিংস ও রিজার্ভের সমষ্টির উপর কর আরোপ করা হয়েছে। যদিও তা বাজেট ঘোষণায় উল্লিখিত হারের চেয়ে কমানো হয়েছে এবং একটুখানি শিথিল করা হয়েছে এর শর্তাবলী।তারপরও স্বল্প মেয়াদ থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদে এই কর আরোপের প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা যায়।

শনিবার বোনাস ও রিজার্ভে কর আরোপের প্রস্তাব সংশোধনে সুপারিশ উপস্থাপনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নগদ লভ্যাংশকে উৎসাহিত করতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘…..কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীও নগদ লভ্যাংশ প্রত্যাশা করে।’

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, তিনি ও তাঁর সরকার পুঁজিবাজার নিয়ে যথেষ্ট ভাবছেন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়কে তিনি যথেষ্ট অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে উচ্চারণ না করলেও তার বক্তব্য থেকে বুঝা যায়, পুঁজিবাজারে যে কিছু অসাধু কোম্পানি আছে, তারা যে নানা কৌশলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বঞ্চিত করার চেষ্টা করে তা সরকারের নজরে এসেছে বা আগে থেকেই আছে। এ পর্যবেক্ষণের সঙ্গে দ্বিমত করার কোনো সুযোগ নেই; কারণ এটি বাস্তব। এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে, সরকার পুঁজিবাজারের একটি হলেও রোগ ধরতে পেরেছে। এটি খুবই ভাল দিক। কিন্তু এই রোগের জন্য যে ওষুধ প্রেসক্রাইব করা হয়েছে বা দেওয়া হয়েছে, সেটি সম্ভবত সঠিক নয়, ভুল। ভুল ওষুধে রোগের লক্ষণাদি সাময়িকভাবে দূর হতে পারে, কিন্তু রোগ সারবে না। বরং সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় নতুন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

Zia-Ramna.jpg

বোনাস-রিজার্ভে কর আরোপের মূল প্রস্তাব

গত ১৩ জুন ঘোষিত বাজেটে বোনাস লভ্যাংশের উপর ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছিল। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত কোম্পানির রিটেইনড আর্নিংস ও রিজার্ভের সমষ্টি মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হলে বাড়তি অঙ্কের উপর ১৫ শতাংশ কর আরোপ করার কথাও বলা হয়েছিল প্রস্তাবিত বাজেটে।

সংশোধিত কর হার

শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুপারিশের প্রেক্ষিতে বোনাস লভ্যাংশ ও রিজার্ভে কর আরোপের আগের প্রস্তাবটি সংশোধন করে সেটি সংশোধিত অর্থবিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংসদে পাশ হওয়া অর্থবিল অনুসারে, কোনো কোম্পানি নগদ লভ্যাংশের সমপরিমাগণ বোনাস দিলে বোনাসের উপর কর দিতে হবে না। আর শুধু বোনাস দিলে অথবা  নদ লভ্যাংশের চেয়ে বেশি বোনাস দিলে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। অন্যদিকে নিট মুনাফার ৭০ শতাংশের বেশি রিটেইনড আর্নিংস ও রিজার্ভ হিসেবে স্থানান্তর করা না হলে তার জন্য কোনো কর দিতে হবে না। কিন্তু ৭০ শতাংশের বেশি স্থানান্তর করা হলে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।

বোনাস ও রিজার্ভে কর আরোপের সম্ভাব্য প্রভাব

০১. শুধু বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করলে অথবা নগদ লভ্যাংশের চেয়ে বোনাস বেশি হলে ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশের উপর ১০ শতাংশ কর দিতে হবে বলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার আগ্রহ বাড়তে পারে। কমতে পারে অকারণে বোনাস দেওয়ার প্রবণতা।

০২. তালিকাভুক্ত কোম্পানি নিট মুনাফার ন্যুনতম ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ না করলে কর দিতে হবে বলে আগামী দিনগুলোতে বিভিন্ন কোম্পানির লভ্যাংশের পরিমাণ বাড়তে পারে। তাতে যারা স্বল্প ও মধ্য মেয়াদে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে থাকেন তাদের লাভ হবে।

০৩. নগদ লভ্যাংশের একটি অংশ অনেক বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে পুনর্বিনিয়োগ করে থাকেন বলে বাজারে তারল্য প্রবাহও কিছুটা বাড়তে পারে।

পুঁজিবাজারের অনেক স্টেকহোল্ডার বোনাস ও রিজার্ভে কর আরোপের বিষয়টিকে স্বাগত জানালেও বাস্তবে তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানো ও বাজারে গতিশীলতা ফেরাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবে কি-না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। অর্থবিল পাসের পরদিনের তথা আজ রোববারের বাজারচিত্র কিন্তু তা-ই বলছে।

০৪. বোনাস ও রিজার্ভে করের কারণে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে হিসাবকারসাজির প্রবণতা বাড়তে পারে। কর এড়াতে মুনাফা আড়াল করা, কমিয়ে দেখানো ইত্যাদির চেষ্টা চলতে পারে। ফান্ড ড্রেনেজ বা অন্যখাতে স্থানান্তর হতে পারে।

০৫. আগামী এক দুই বছরের মধ্যে বাজারে জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির হার বেড়ে যেতে পারে। অনেক কোম্পানির ক্যাশ ডিভিডেন্ড পে-আউট করার মত নগদ অর্থের প্রবাহ না থাকে না। করের ভয়ে এরা বোনাসও দেবে না। বাধ্য হয়ে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে। আবার অনেক অসাধু উদ্যোক্তা ইচ্ছা করেও লভ্যাংশ না দিয়ে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যেতে পারে।

০৬. বোনাস ও রিজার্ভে করের কারণে ভালো প্রবৃদ্ধি আছে এবং খুবই সম্ভাবনাময় এমন কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসতে নিরুৎসাহিত হবে।এতে বাজারে শেয়ার সরবরাহের গতি ধীর হয়ে যেতে পারে, যা দীর্ঘ মেয়াদে ভালো শেয়ারের সঙ্কট সৃষ্টি করবে।

০৭. তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভুত কোম্পানিগুলোর মধ্যে অসমতা তৈরি হবে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো বাড়তি করের চাপে থাকলেও তালিকার বাইরে থাকা কোম্পানিগুলোকে এ চাপ নিতে হবে না। এই বৈষম্যের কারণে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

০৮. ব্যাংকিং কোম্পানির ক্ষেত্রে লভ্যাংশ ঘোষণার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হয়।বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন, ক্যাশ ফ্লোসহ সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে এ অনুমোদন দিয়ে থাকে। ফলে বেশিরভাগ ব্যাংককে বোনাস লভ্যাংশ দিতে হয়। এ কারণে নতুন কর ব্যাংকগুলোর উপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

০৯. বোনাস ও রিজার্ভে করের বাধ্যবাধকতার কারণে মুনাফার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নগদ লভ্যাংশ আকারে কোম্পানির তহবিলের বাইরে চলে যাবে বলে রিটেইনড আর্নিংস ও রিজার্ভে প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাবে। এর পাশাপাশি কমবে কোম্পানিগুলোর ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ। ফলে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্য থেকে কিছু কোম্পানির বড় আকারে উঠে আসার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে আসবে।

১০. প্রকৃত সুশাসন ও কার্যকর মনিটরিং এর অভাবে আইনের ফাঁকফোকর খুঁজে অসৎ কোম্পানিগুলো নতুন কৌশলে বিনিয়োগকারীদের এরপরও ঠকিয়ে যেতে পারে, ক্ষতিগ্রস্ত হতে পালে তুলনামুলক ভাল কোম্পানিগুলো।

কর ছাড়াও ওষুধ আছে-

সরকার যে ব্যবস্থা নিয়েছে, তা মূলত কিছু অসাধু বা দায়িত্বহীন উদ্যোক্তার কার্যক্রমে রাশ টানার লক্ষ্যেই করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু তাতে করে ভালো উদ্যোক্তা ও ভালো কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। উদ্যোক্তা তুলনামুলক সৎ হলে, উদ্দেশ্য ভাল থাকলে বোনাস লভ্যাংশ ও বড় রিজার্ভ যে অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানির প্রবৃদ্ধি ও বাজারের জন্যে ইতিবাচক তার উদাহরণ কিন্তু আমাদের দেশেই আছে।

আমাদের পুঁজিবাজারের একটু ব্লুচিপ কোম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস তালিকাভুক্তর পর থেকে নগদ লভ্যাংশের পাশপাশি নিয়মিত বোনাস দিয়ে এসেছে। টানা কয়েক বছর কোম্পানিটির নগদ লভ্যাংশের চেয়ে বোনাসের হার ছিল বেশি। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে কোম্পানিটি ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের বিপরীতে ৩০ শতাংশ বোনাস বা স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছিল, পরের বছর নগদ লভ্যাংশ ছিল ২৫ শতাংশ, বোনাস ৪০ শতাংশ, এর পরের বছর ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের বিপরীতে ৩৫ শতাংশ বোনাস ছিয়েছিল স্কয়ার ফার্মা।

১৯৯৪ সালে তালিকাভুক্তির সময়ে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৩৬ কোটি টাকা। বর্তমানে মূলধনের পরিমাণ ৭৮৯ কোটি টাকা। এর রিজার্ভের পরিমাণ ৪ হাজার ৮২৯ কোটি টাকা। গত ৩০, ২০১৯ তারিখে কোম্পানিটির বাজারমূলধন বা কোম্পানিটির মূল্য ছিল ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি।

বাজারে তালিকাভুক্ত আরেকটি ব্লুচিপ কোম্পানি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ টানা ৬ বছর নগদ লভ্যাংশের চেয়ে বেশি হারে বোনাস দিয়েছে। এর মধ্যে ২০১০, ১১ ,১২, ১৩-এই চার হিসাববছরে টানা ৫০ শতাংশ করে বোনাস দিয়েছে। এ সময়ে নগদ লভ্যাংশের হার ছিল ১০ শতাংশ।

দুটি কোম্পানিই বোনাসের মাধ্যমে মূলধন বাড়িয়েছে, আর কোম্পানিতে থেকে যাওয়া টাকা ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয় করেছে।

বোনাসের সুযোগের অপব্যাবহার করছে তুলনামূলক দূর্বল মৌলের কোম্পানিগুলো। এদের মধ্যে আবার গত ৫/৭ বছরে আইপিওতে আসা কোম্পানির সংখ্যাই আনুপাতিক হারে বেশি। আর এর নেপথ্যে রয়েছে উদ্যোক্তাদের শেয়ার বিক্রির মতলব। বিশেষ করে যে কোম্পানিগুলো আইপিওর আগে বিশাল অঙ্কের প্লেসমেন্ট করেছে, যেগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক অবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ সে কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এমনটি বেশি দেখা  গেছে। বিধি অনুসারে, তালিকাভুক্তির পর উদ্যোক্তাদের শেয়ার বিক্রিতে ৩ বছরের লকইন বা নিষেধাজ্ঞা আছে। প্লেসমেন্ট শেয়ারেও এতদিন ১ বছরের লকইন ছিল। তাই এ সময়ে মূল শেয়ার বিক্রি করা যেত না বলে বোনাস দিয়ে তারা এই শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা উঠিয়ে নিত। 

এমন অবস্থায় বোনাস নিরুৎসাহিত করে নগদ লভ্যাংশকে উৎসাহ দিতে ‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন’-এই নীতিমালা অনুসরন করলেই চলতে পারতো। যেসব কোম্পানি নগদ লভ্যাংশ দেবে তাদেরকে কিছুটা কর ছাড় দেওয়া যেত। একইভাবে যে কোম্পানিগুলো ন্যুনতম ৩০ বা ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে তাদের জন্যেও দেওয়া যেত কিছুটা কর ছাড়।

অন্যদিকে বোনাস লভ্যাংশের বিষয়ে সম্প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি যে নির্দেশনা জারি করেছে, সেটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও মনিটরিং করলেই ভাল ফল পাওয়া যেত। বিএসইসির নির্দেশনা অনুসারে কোনো কোম্পানি বোনাস দিতে চাইলে তার যথাযথ কারণ্ ব্যাখ্যা করতে হবে এবং মূল্যসংবেদনশীল তথ্যে তা উল্লেখ করতে হবে।প্রয়োজনে এই নির্দেশাটিকে আরও সুষ্পষ্ট করা এবং কী কী কাজের জন্য বোনাস দেওয়া যাবে তার সুনির্দিষ্ট একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করা যেতে পারত।

সর্বোপরি বাজারে অসাধু উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন ও দুর্বল মৌলের কোম্পানির আইপিও আসতে না দিলেই সমস্যা অনেকখানি এড়ানো যেত।বিএসইসি যেহেতু ডিসক্লোজারবেজড পদ্ধতিতে আইপিও মূল্যায়ন করে তাই তার একার পক্ষে হয়তো দুর্বল কোম্পানি আটকানো একটু কঠিন হতে পারে। কিন্তু এফআরসিকে শক্তিশালী করে আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা প্রতিষ্ঠা, হিসাবকারসাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে কিন্তু দুর্বল ও অসৎ কোম্পানিগুলোকে অনেকটাই চেক দেওয়া সম্ভব।

এমনিতেও যদি হিসাবকারসাজি বন্ধে কার্যকর ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না যায় তাহলে বোনাস এবং রিজার্ভে কর আরোপ থেকেও কাঙ্খিত ফল পাওয়া যাবে না। উল্টো এটি বুমেরাং হতে পারে।

সবশেষ কথা হচ্ছে, যদি সামগ্রিকভাবে সুশাসন থাকে, রেগুলেটরগুলো (বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, এফআরসি, আইডিআরএ) তাদের মর্যাদা ও কর্তৃত্ব সমুন্নত রাখতে পারে, যদি অপরাধ করলে কঠিন শাস্তির সম্ভাবনা থাকে- তাহলে এই নতুন করের প্রয়োজন হয় না, পুঁজিবাজারের অনেক রোগ এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তাই এ বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।

# লেখকঃ সম্পাদক, অর্থসূচক; প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিষ্টস ফোরাম (সিএমজেএফ)

এই বিভাগের আরো সংবাদ