পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তি কী তবে পাপ?
শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তি কী তবে পাপ?

পুঁজিবাজারে অনেক দিন ধরে ভালো আইপিওর খরা চলছে। বিশেষ করে গ্রামীণফোনের পরে গত ১০ বছরে আর কোনো বহুজাতিক কোম্পানির দেখা মেলেনি এই বাজারে। এমনকি স্থানীয়দের মধ্যে বসুন্ধরা ছাড়া আর কোনো বড় গ্রুপ অব কোম্পানিরও আইপিও আসেনি। যদিও বসুন্ধরা গ্রুপের বসুন্ধরা পেপার মিলস এর আইপিওতে শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে, তবে সেটি এই লেখার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়।

Ziaur-Rahman-Editor-Arthosuchak-3.jpg

নানা কারণে ভালো ও বড় কোম্পানিগুলো প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বাজারে আসতে চায় না। এ বাস্তবতায় পুঁজিবাজারে আসায় কোম্পানিগুলোকে উৎসাহ জোগাতে বাজেটে প্রণোদনা দেওয়া, নিদেনপক্ষে তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার কমিয়ে তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির সঙ্গে করের ব্যবধান বাড়ানো হবে-এমন প্রত্যাশা ছিল পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের। একাধিক স্টেকহোল্ডার লিখিতভাবে এ বিষয়ে সুপারিশও করেছিল। কিন্তু অর্থমন্ত্রী তাতে সাড়া দেননি। উল্টো পুঁজিবাজারে প্রণোদনার নামে ‘ভালো কোম্পানি’র গলা টিপে ধরার প্রস্তাব করেছেন।

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির রিজার্ভ ও রিটেইন আর্নিংস (অবণ্টিত মুনাফা) এর উপর কর বসানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, একটি আয়কর বছরে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির রিজার্ভ, রিটেইনড আর্নিংস (অবণ্টিত মুনাফা) ইত্যাদির সমষ্টি তার পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হলে বাড়তি অংশের জন্য ১৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের পুঁজিবাজার সংক্রান্ত অংশটুকুর শিরোনাম দেওয়া হয়েছে-পুঁজিবাজারে প্রণোদনা। রিজার্ভে কর বসানোর যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে, ‘কোম্পানির মুনাফা হতে শেয়ারহোল্ডারগণ তথা বিনিয়োগকারীদেরকে ডিভিডেন্ড দেওয়ার পরিবর্তে রিটেইন আর্নিংস বা বিভিন্ন ধরনের রিজার্ভ হিসেবে রেখে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এতে প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড প্রাপ্তি থেকে বিনিয়োগকারীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ ধরণের প্রবণতা রোধ করা প্রয়োজন। এ জন্য কোনো কোম্পানির কোনো আয়-বছরে রিটেইনড আর্নিংস, রিজার্ভ ইত্যাদির সমষ্টি যদি পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হয়, তাহলে যতটুকু বেশি হবে তার উপর সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ১৫ শতাংশ কর প্রদানের বিধান প্রস্তাব করছি।’

অবশ্য শুধু এই কর বসিয়েই সন্তুষ্ট থাকেননি চৌকষ হিসাববিদ (Chartered Accountant) অর্থমন্ত্রী আ হ মুস্তফা কামাল। তিনি বোনাস শেয়ারের উপরও ১৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব করেছেন। আর এ প্রস্তাবের স্বপক্ষেও তিনি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের দোহাই দিয়েছেন।

নতুন কর আরোপের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী যতই বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের কথা বলুন না কেন, বাস্তবে তা যে রেকর্ড পরিমাণ বড় বাজেট বাস্তবায়নের জন্য অর্থ সংগ্রহের মরিয়া চেষ্টা, সেটি বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না কারো। উন্নয়নের জন্য বড় বাজেট প্রয়োজন। আর বাজেট বাস্তবায়নে করও দরকার। এ বিষয়ে কারো আপত্তি আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু নতুন কর আরোপের প্রস্তাব করার আগে তার যৌক্তিকতা, সংশ্লিষ্ট খাতে এর সম্ভাব্য প্রভাব ইত্যাদিও তো বিবেচনার দাবি রাখে।

সম্ভবত নতুন করের প্রস্তাবে পুঁজিবাজারে নেতিবাচক কী প্রভাব পড়তে পারে তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। অথবা সংশ্লিষ্টরা অর্থমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়েছেন। নইলে এমন তোঘলকি প্রস্তাব দিতে পারার কথা নয়। কারণ নতুন কর, বিশেষ করে রিটেইনড আর্নিংস ও রিজার্ভের উপর কর আরোপের প্রস্তাব কার্যকর হলে বাজারে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ-সব মেয়াদেই নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। একদিকে যেমন তালিকাভুক্ত ভালো কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অন্যদিকে ভালো কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহ হারাবে। চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে গতি হারাবে বাজার, ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বিনিয়োগকারীরা। তাই যে যুক্তিতে এই কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে, তা ধোপে টিকে না।

অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবে ভালো কোম্পানিগুলোই ক্ষতিগ্রস্ত হবে, মন্দদের কিছুই যাবে আসবে না

আমাদের পুঁজিবাজারে যেসব কোম্পানির মৌলভিত্তি ভালো, উদ্যোক্তা (Sponsor/Promoter) ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (Management) তুলনামূলক সৎ-সেসব কোম্পানিতেই কেবল ভালো রিজার্ভ রয়েছে। তুলনামূলক অসাধু উদ্যোক্তারা নানা কৌশলে মুনাফা অন্যদিকে সরিয়ে নেয় বলে কোম্পানিতে রিটেইন আর্নিংস ও রিজার্ভ তেমন থাকে না। অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবে ভালো কোম্পানিগুলোই ক্ষতিগ্রস্ত হবে, মন্দদের কিছুই যাবে আসবে না।

রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে-দুষ্টের দমন, শিষ্টের লালন। এ হিসেবে পুঁজিবাজারের ভালো কোম্পানিগুলোকে প্রণোদনা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। দায়িত্ব- এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে বাজারের বাইরে থাকা ভালো কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্তিতে উৎসাহী হয়। কিন্তু করা হচ্ছে উল্টোটা। নতুন করের এ প্রস্তাব কার্যকর হলে তালিকাভুক্ত ভালো কোম্পানিগুলো চিড়ে চ্যাপ্টা হয়ে যাবে। যেহেতু একবার কোম্পানিগুলো তালিকাভুক্ত হয়ে ফাঁদে আটকে গেছে, সেহেতু বাড়তি কর গুণে যাওয়া ছাড়া তাদের কোনো উপায় থাকবে না। কিন্তু  পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা যেসব কোম্পানির ভালো রিজার্ভ আছে, সেগুলো হয়তো ভুলেও আর পুঁজিবাজারের পথ মাড়াবে না। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে- পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তি কী তবে পাপ?

অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবের ব্যাখ্যাঃ

ধরা যাক, একটি কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা। এর রিটেইন আর্নিংস ও রিজার্ভের পরিমাণ ১৫ কোটি টাকা। কোম্পানিটির মূলধনের অর্ধেক হচ্ছে ৫ কোটি টাকা। প্রস্তাব অনুসারে কোম্পানিটিকে (১৫ কোটি – ৫ কোটি) ১০ কোটি টাকার উপরে ১৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। অর্থাৎ কোম্পানিটিকে প্রযোজ্য আয়বছরে তার মুনাফার জন্য ২৫ শতাংশ হারে কর তো দিতে হবেই, তার উপর শুধু রিজার্ভের জন্য কোম্পানিটিকে বাড়তি কর দিতে হবে ১.৫ কোটি টাকা। কোম্পানিটি যদি এই রিজার্ভ রেখে দেয় তাহলে পরের বছর আবারও দেড় কোটি টাকা কর দিতে হবে।

কোম্পানিটির যদি এই মূহুর্তে ব্যবসা সম্প্রসারণের কোনো সুযোগ না থাকে তাহলে রিজার্ভের বিপরীতে বোনাস শেয়ার ইস্যু করা হলে তা কোম্পানির মুনাফা বৃদ্ধিতে কোনো কাজে তো আসবেই না, বরং শেয়ার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে পরবর্তীতে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কমে যাবে। তাছাড়া বোনাস ইস্যু করলেও দিতে হবে ১৫ শতাংশ কর। কোম্পানিটির জন্য সহজ রাস্তা হচ্ছে বেশি করে নগদ লভ্যাংশ দিয়ে রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারিত সীমার নিচে নামিয়ে আনা। কিন্তু এভাবে রিজার্ভ কমিয়ে ফেললে ভবিষ্যতে ব্যবসা সম্প্রসারণ বা অন্য কোনো জরুরি প্রয়োজন মেটানো বেশ কঠিন হয়ে পড়বে। এছাড়া রিজার্ভ কমে গেলে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) কমে যাওয়ার কারণে বাজারে শেয়ারের মূল্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তবে প্রস্তাবটিতে একটু অস্পষ্টতা আছে। কর নির্ধারণের সময় শুধু আলোচিত করবর্ষের রিটেইনড আর্নিস ও রিজার্ভকে বিবেচনায় নেওয়া হবে, না-কি ওই সময়ে রিটেইনড আর্নিংস ও রিজার্ভের স্থিতির আলোকে কর নির্ধারণ করা হবে তা সম্পূর্ণ পরিস্কার নয়। রিটেইনড আর্নিংস ও রিজার্ভের স্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হলে করের পরিমাণ হবে অনেক বেশি। কিন্তু যদি শুধু প্রযোজ্য বছরের রিটেইনড আর্নিংস ও রিজার্ভ এর উপর কর আরোপ করা হয়, তাহলে এর পরিমাণ হবে অনেক কম, হাতে গোণা অল্প কয়েকটি কোম্পানি এর আওতায় পড়বে। তবে এরপরও তা সমর্থণযোগ্য নয়।


রিজার্ভে কর আরোপ হবে ভালো কোম্পানিকে গলা টিপে ধরার মতো

কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ ও বড় হওয়ার সুযোগ কমে যাবে

সাময়িকভাবে বিনিয়োগকারীদের লাভ হলেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন

ভালো কোম্পানির আইপিও কমে যাবে, বাজারে ভালো শেয়ারের সঙ্কট হবে


কেস স্টাডিঃ

আমাদের বাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের একটি কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪৬ কোটি টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৪৬০ কোটি টাকা। বাজেট প্রস্তাবনা অনুসারে কোম্পানিটিকে (৪৬-২৩) ৪৩৭ কোটি টাকার উপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে, যার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা। কোম্পানির সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ও স্পন্সর-সবার জন্য এটা হবে বড় আঘাত।

রিজার্ভে কর কেন সমর্থনযোগ্য নয়ঃ

০১. এটি হবে এক ধরনের দ্বৈতকর। কারণ কোম্পানিগুলো প্রযোজ্য বছরে মুনাফার উপর কর দেওয়ার পরই সেখান থেকে রিটেইন আর্নিংস, রিজার্ভ ইত্যাদি রাখে। তাই একই আয়ের উপর একাধিকবার কর আরোপ হবে অন্যায্য ও অনৈতিক।

০২. সঞ্চয় দুর্দিনের বন্ধু। একটি কোম্পানির সঞ্চয়ই মূলতঃ তার রিজার্ভ। তাই নতুন কর এড়াতে রিজার্ভ কম রাখলে তা কোম্পানিগুলোর জন্য নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করবে। আকস্মিক বা জরুরী কোনো প্রয়োজন হলে তা মেটানো কোম্পানিগুলোর জন্য কঠিন হয় পড়বে।

০৩.  কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা ও সুযোগ কমে যাবে। কারণ এ ধরনের রিজার্ভ মূলত রাখাই হয় ভবিষ্যত বিনিয়োগের জন্য। নিজস্ব তহবিল কমে গেলে কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ সক্ষমতাও কমে যাবে। সে ক্ষেত্রে কারখানার আধুনিকায়ন, ব্যবসা সম্প্রসারণ, নতুন ইউনিট স্থাপন ইত্যাদির জন্য বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন হলে কোম্পানিকে অধিক পরিমাণে ঋণ নিতে হবে। উচ্চ সুদের ঋণে প্রকল্প লাভজনক করে তোলা বেশিরভাগ সময়েই দুরুহ। এসব কারণে উন্নত দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধিশীল কোম্পানিগুলো (Growth Company) বছরের পর বছর কোনো লভ্যাংশ দেয় না। তারা তাদের মুনাফা পুনর্বিনিয়োগ করে থাকে। অ্যাপল ইনকরপোরেশন থেকে শুরু করে অনেক জায়ান্ট কোম্পানি এটি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছে এ ধরনের কোম্পানিই সবচেয়ে বেশি সমাদৃত।

রিজার্ভের উপর কর বসালে আমাদের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যতে বড় হওয়ার সম্ভাবনা সংকোচিত হয়ে আসবে।

০৪. রিজার্ভ কমে গেলে কোম্পানির পরিচালন ব্যয়ও বেড়ে যায়। কারণ অনেক সময় ব্যবসা সম্প্রসারণ কিংবা জরুরী প্রয়োজন মেটাতে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি থেকে ব্যয় বহুল ঋণ নিতে হয়। তাতে কোম্পানির পরিচালন ব্যয় বেড়ে যায়, কমে যায় মুনাফা। এতে কোম্পানির উদ্যোাক্তা ও শেয়ারহোল্ডার-সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

০৫. বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর রিজার্ভের পরিমাণ কমে গেলে সেগুলোর শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্যও (এনএভিপিএস) কমে যাবে। তাতে বাজারে শেয়ারের দামও কমবে। বিনিয়োগকারীদের যে স্বার্থের দোহাই দিয়ে রিজার্ভে কর আরোপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, এনএভিপিএস হ্রাসের কারণে শেয়ারের দাম কমলে কিন্তু বিনিয়োগকারীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

০৬. শুধু তালিকাভুক্ত কোম্পানির রিজার্ভে কর বসানো হলে তা হবে বৈষম্যমূলক। এতে এই কোম্পানিগুলোকে একটা অসম অবস্থায় পড়তে হবে। তালিকার বাইরে থাকা কোম্পানিগুলোকে যেহেতু এই কর দিতে হবে না, তাই তাদের পরিচালন ব্যয় হবে কম। প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমে যাবে তালিকাভুক্ত কোম্পানির।

০৭. রিজার্ভে করের কারণে বাজারে ভালো কোম্পানির আইপিওর সংখ্যা কমে যেতে পারে। এই করের ভয়ে অনেক ভালো উদ্যোক্তা তাদের কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসতে চাইবেন না।

  • জিয়াউর রহমান। সম্পাদক, অর্থসূচক।
  • ziabd71@gmail.com, facebook.com/ziaurrahman.arthosuchak

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ