'সাসটেনেবল রিপোর্টিং পর্যবেক্ষণে ডিএসই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে'
বৃহস্পতিবার, ১১ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘সাসটেনেবল রিপোর্টিং পর্যবেক্ষণে ডিএসই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে’

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য পরিবেশগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক কারণগুলো কোম্পানি এবং তাদের বিনিয়োগকারীদের ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে। নিয়ন্ত্রণমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে  সাসটেনেবল রিপোর্টিং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ডিএসই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

গাইডেন্স সাসটেইনেবল রিপোর্টিং ফর লিস্টেড কোম্পানিস ইন বাংলাদেশ প্রকাশনা উম্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে ২৮ মার্চ প্রকাশনাটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে নেদারল্যান্ড ভিওিক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ (জিআরআই)এর আমন্ত্রণে গত ২৭ মার্চ ডিএসই’র তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোতে High level engagement with Listed companies: Sustainability Reporting for Sustainable Development প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করেন৷ প্রতিনিধি দলে ছিলেন ডিএসই’র পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান এবং সহকারী মহাব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান৷ প্রতিনিধি দল ২৮ মার্চ ‘টেকসই উন্নয়নে টেকসই প্রতিবেদন’শিরোনামে এক প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন৷ যেখানে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উর্ধ্বতন প্রতিনিধি, স্টক এক্সচেঞ্জ, পেশাদার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন৷

ডিএসইর এমডি বলেন, সাসটেইনেবল রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব এবং সিদ্ধান্ত প্রতিফলিত হবে। ডিএসই বাংলাদেশে কর্পোরেট রিপোর্টিংয়ে সাসটেনিবিলিটি ডিসক্লোজার উন্নয়ন অব্যাহত রাখবে৷

অনুষ্ঠানে জিআরআই’র প্রধান নির্বাহী টিম মোহিন ‘Evolution of Corporate Reporting: Sustainability and Integration এর উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন৷ এ সময় তিনি  বলেন, অনেক কোম্পানি উপলব্দি করতে শুরু করেছে যে, সাসটেনেবল রির্পোটিং শুধুমাত্র একটি ব্যবসায়িক সুযোগ নয়, এটি একটি ব্যবসায়িক প্রয়োজন। তাদের প্রভাবের উপর প্রতিবেদন স্বচ্ছতার অগ্রগতি সাধন করে, যা  ঝুঁকির বিষয়ে পূর্বাভাস প্রদান  এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে সহায়তা করে।

শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের নতুন এই গাইডলাইন এই অঞ্চলের ৫০০ টির বেশি তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে উন্নয়ন করবে। এটি সামাজিক, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সুবিধাগুলোকে বৃহত্তর স্বচ্ছতার সাথে উন্মুক্ত করতে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিভা বন্দরনায়েকে বলেন, সিএসই টেকসই যোগাযোগের ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার কোম্পানিগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রতিশ্রুতিকে  উৎসাহিত করছে। শ্রীলঙ্কার কোম্পানিগুলোকে টেকসই প্রতিবেদনে কার্যকর এবং মানসম্মত চর্চা করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে উত্সাহিত করা হয়৷ তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য সিএসই’র নির্দেশিকার দ্বিতীয় সংস্করণ হলে “কমিউনিকেটিং সাসটেইনেবল প্রসপেক্টিভ অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অব জিআরআই। যা এই প্রকাশনা ব্যবহারকারীদের জন্য উল্লেখযোগ্য মান উন্নয়নের  জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থসূচক/এমএফ/এমএস

এই বিভাগের আরো সংবাদ