ArthoSuchak
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বাংলাদেশ দুর্নীতিতে ১৩তম: টিআই

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) প্রকাশ করা দুর্নীতির ধারণা সূচকে চার ধাপ অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের। এর মানে হলো, বাংলাদেশে দুর্নীতি আগের চেয়ে বেড়েছে। সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ১৩তম অবস্থানে উঠেছে বাংলাদেশ।

জার্মানির বার্লিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান টিআইয়ের প্রকাশ করা দুর্নীতির ধারণাসূচক ২০১৮-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ তথ্য তুলে ধরেন।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, উর্ধ্বক্রম অনুযায়ী ১৪৯তম এবং নিম্নক্রম অনুযায়ী ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। ৪৩ শতাংশ গড় মানের বিবেচনায় বাংলাদেশর অর্জন মাত্র ২৬। এই অবস্থায় একটি দেশের দুর্নীতিকে বিব্রতকর বলেও মন্তব্য করেছেন ইফতেখারুজ্জামান।

বার্লিন ভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক প্রণীত করাপশন পার্সেপশন ইন্ডেক্স (সিপিআই) এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী দুর্নীতির একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে। একটি দেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে বিরাজমান দুর্নীতির ব্যাপকতা সম্পর্কে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও সংশ্লিষ্ট খাতের গবেষক ও বিশ্লেষকদের ধারণার উপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুর্নীতির তুলনামূলক অবস্থান নির্ণয় করা হয়।

সিআইপির গবেষণা অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ভুটান। ২০১৮ সালের সিআইপি অনুযায়ী এ দেশটির স্কোর ৬৮। উর্ধ্বক্রম অনুযায়ী দেশটির অবস্থান ২৫। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ভারত, যার স্কোর ৪১। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এরপরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং মালদ্বীপ। এরপরে ৩১ স্কোর পেয়েছে নেপাল। তার পর ২৬ স্কোর এর মাধ্যমে ১৪৯তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ, ১৬ স্কোর পেয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। অর্থাৎ দক্ষিণ এশিয়ার নিম্ন ক্রমানুসারে দুর্নীতির দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক তাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। এই কার্যক্রমকে মধ্য ও নিম্ন মধ্যম পারফরম্যান্স বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি উচ্চ পর্যায়ের লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও পরামর্শ দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের চার্জশিট ছাড়া গ্রেপ্তার করা যাবে না এই আইনটি খুব তাড়াতাড়ি সংশোধন করা প্রয়োজন। তা নাহলে দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রমের মাধ্যমেও প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন হবে না।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যম এবং জনগণের অধিকারকে সংকুচিত করা হয়েছে। নতুন সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশনেই এই আইনকে ঢেলে সাজানো হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অর্থসূচক/জেডএ/কেএসআর

এই বিভাগের আরো সংবাদ