রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অদক্ষতায় ডব্লিউটিও সম্মেলনে কিছু পেল না বাংলাদেশ
রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অদক্ষতায় ডব্লিউটিও সম্মেলনে কিছু পেল না বাংলাদেশ

EquityBDবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নবম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন থেকে শূণ্য হাতে ফিরেছে বাংলাদেশ। আর এর প্রধান কারণ হিসাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অদক্ষতাকে দায়ি করেছে ইক্যুইটি অ্যাণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ইক্যুইটি অ্যাণ্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘উচ্চাশা ও প্রতারণার ডব্লিউটিও: বালি অভিজ্ঞতা ও আগামির প্রস্তুতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ মন্তব্য করেন।

ইক্যুইটিবিডির প্রধান পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বালির সম্মেলনটি মন্ত্রী পর্যায়ের হলেও বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রী, এমপি এমনকি রাষ্ট্রদূত পর্যায়েরও কেউ সেখানে উপস্থিত ছিল না। বাণিজ্য সচিবের নের্তৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সেখানে উপস্থিত থাকলেও তেমন কোনো প্রস্তাবনা তারা দিতে পারেনি। এ কারণে বালি থেকে শূণ্য হাতেই ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

ইক্যুইটিবিডির সমন্বয়ক প্রচার অভিযান ও নীতি গবেষক বরকতুল্লাহ মারুফ লিখিত বক্তব্যে বলেন, বহুল আলোচিত কৃষি চুক্তিটি এ সম্মেলনে ভারতের অনড় অবস্থানের কারণে স্বল্প উন্নত দেশগুলোর খাদ্য নিরাপত্বার উন্নয়নের লক্ষে উপাস্থাপন করা হলেও বাংলাদেশ এই ইস্যুটি সমর্থন দেননি। যার ফলে ডব্লিউটিও সঙ্গে বাংলাদেশের খাদ্য এবং কৃষিখাতে ১০ শতাংশ ভর্তুকির চুক্তি ছিল এই ইস্যুটি বাতিল হওয়ার কারণে দেশের মানুষ এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলো। এই ইস্যুটি পুনরায় বাস্তাবয়ন করার জন্য বালিতেও আমরা আন্দোলন করেছি। দেশেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

বাংলাদেশ কৃষি ফেডারেশনের সভাপতি বদরুল আলম বলেন, ডব্লিউটিও পূর্বেও কৃষককে হত্যা করেছে। এবারও তাই করেছে। এবারের এটি সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশের ব্যর্থতা ও অনিচ্ছার কারণে।

তিনি বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম হলো সদস্য দেশগুলো একমত না হলে কোনো ইস্যুই বাস্তবায়ন হয়না। আর সেখানে বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ হওয়া সত্বেও ভারতকে সমর্থন না করে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এসএটিভির বিজনেস এডিটর সালাউদ্দিন বাবলু বলেন, ডব্লিউটিও’র ১৫৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ হলো সবচেয়ে বেশি ঝুকি পূর্ণ। যারা নিজেদের স্বার্থের কথা মাথায় না রেখে উন্নত দেশগুলোর তাবেদারী করে। যা আত্নঘাতির শামিল।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি জায়েদ ইকবাল খান, সুরক্ষা ও অগ্রগতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক জীবনানন্দ জয়ন্তসহ ইক্যুইটিবিডির সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিগণ।

জিইউ/জেইউ

এই বিভাগের আরো সংবাদ