সাশ্রয়ী ভ্রমণ তালিকার সপ্তমে বাংলাদেশ
শনিবার, ৩০শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

সাশ্রয়ী ভ্রমণ তালিকার সপ্তমে বাংলাদেশ

বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ-পিপাসুরা সৌন্দর্য, রোমাঞ্চ, ঐতিহ্যের পেছনে ছুটে বেড়ান। পাহাড়, নদী, সমুদ্র, বন-প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এসব আধার মানুষকে টেনে নেয়। পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, উপাসনালয়, ধর্মীয় স্থান, পার্ক, দর্শনীয় স্থাপনাও মানুষকে কম আকৃষ্ট করে না। তবে দর্শনীয় স্থান বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সৌন্দর্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য ইত্যাদির পাশাপাশি ভ্রমণের ব্যয়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এদিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ স্বস্তিকর। এমটিই মনে করছে লোনলি প্ল্যানেট ডটকম।

Lalbag-fort.jpg

লালবাগের কেল্লা

ভ্রমণবিষয়ক এ পোর্টালটি ২০১৯ সালের জন্য সাশ্রয়ী ভ্রমণ গন্তব্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে এতে শুধুই কম খরচের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি, ওই স্থানের দর্শনীয় স্থানের গুরুত্বের বিষয়টিও ভাবা হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশকে ৭ম অবস্থানে দেখানো হয়েছে।

Saint Martin.jpg

প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন

লোনলি প্ল্যানেটের বিবরণে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এবং সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের কথা উঠে এসেছে। এতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে এশিয়ার দীর্ঘতম সৈকত হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

মিতব্যয়ী ভ্রমণকারীদের কাছে বাংলাদেশর সব সময়ই আকর্ষণীয় স্থান। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট পর্যটকদের আবিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছে, বলা হয় সেখানে। প্রতিবেদনে বাগেরহাটকে ঐতিহাসিক শহর এবং উন্মুক্ত জাদুঘর বলা হয়েছে। আরো আছে পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার এবং গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলনস্থলের কথা।

Sundarban.jpg

সুন্দরবন

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে সহজে ঘোরাফেরার সুযোগ আর কোনো প্রতিবেশী দেশে নেই বললেই চলে।

এ তালিকার শীর্ষ স্থানটি দখল করেছে মিশরের দক্ষিণের নীল ভ্যালি। তার পরই রয়েছে পোল্যান্ডের লডজ। আরো আছে আমেরিকার গ্রেট স্মোকি মাউন্টেন্স ন্যাশনাল পার্ক। তালিকার চতুর্থ এবং পঞ্চম স্থান দখল করেছে যথাক্রমে মালদ্বীপ এবং আর্জেন্টিনা।

এই বিভাগের আরো সংবাদ