আব্দুল আলীমের আজ ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী
শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

আব্দুল আলীমের আজ ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

‘সদা মন চাহে মদিনা যাবো’ গানটি শুনে আব্দুল আলীমকে বুকে জড়িয়ে কেঁদে ছিলেন শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হক। আজও তার গান শুনে অনেকেরেই চোখে পানি চলে আসে। সেই লোক সঙ্গীতের কিংবদন্তি শিল্পী আব্দুল আলীমের আজ ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৪ সালের এই দিনে মারা যান তিনি।

পল্লীগীতি, ভাটিয়ালি, দেহতত্ত্ব, মুর্শিদী, ইসলামী গানের শিল্পী হিসেবে আজও খ্যাত আব্দুল আলীম। অসাধারণ প্রতিভা নিয়ে ১৯৩১ সালের ২৭ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার তালিবপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসেই তৎকালীন ঢাকা রেডিওতে নিয়মিত গান গাওয়া শুরু করেন।

লোক শিল্পী আব্দুল আলিম।

পেশাগত জীবনে আব্দুল আলীম ছিলেন ঢাকা সঙ্গীত কলেজের লোকগীতি বিভাগের অধ্যাপক। কৈশরেই গায়ক হিসেবে নাম করেছিলেন তিনি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তার গানের প্রথম রেকর্ড হয়।

শিক্ষকের কাছে গান শেখার সুযোগ পাননি আবদুল আলীম। অন্যের গান শুনে শিখতেন তিনি। আর বিভিন্ন পালা পার্বণে সেগুলো গাইতেন।

আব্দুল আলীমের যেসব গান আজও আমাদের মুগ্ধ করে তারমধ্যে রয়েছে – নাইয়া রে নায়ের বাদাম তুইলা, সর্বনাশা পদ্মা নদী, হলুদিয়া পাখী, মেঘনার কূলে ঘর বাঁধিলাম, এই যে দুনিয়া, দোল দোল দুলনি, দুয়ারে আইসাছে পালকি, কেন বা তারে সঁপে দিলাম দেহ মন প্রাণ, মনে বড় আশা ছিল যাবো মদীনায় ইত্যাদি।

‘সুজন সখি’ ছবির গানে কণ্ঠ দেয়ার জন্য আবদুল আলীম ১৯৭৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া ১৯৭৭ সালে একুশে পদক (মরণোত্তর) এবং ১৯৯৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন। ১৯৭৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) মৃত্যুবরণ করেন। তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়

বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’সহ বিভিন্ন বাংলা চলচ্চিত্রের গান করেছেন আব্দুল আলীম। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০০টির মতো গান রেকর্ড হয়েছিল তার।

অর্থসূচক/এসকে/এসবিটি

এই বিভাগের আরো সংবাদ