খাদ্য ও দুর্যোগের তথ্য দিবে অ্যাপস
রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » টেক

খাদ্য ও দুর্যোগের তথ্য দিবে অ্যাপস

Apsমোবাইলের ব্যবহার বাড়ছে প্রতিনিয়ত। এই বিপুল সংখ্যাক মোবাইল ব্যবহারকারীদের কাছে খাদ্য ও দুর্যোগ সংক্রান্ত তথ্য পৌঁছে দিতে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপস) তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (আইসিটি)। এই উদ্যোগে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে রয়েছে এথিকস এডভান্স টেকনোলোজি লিমিটেড (ইএটিএল)।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন ভবনে আইসিটি মন্ত্রণালয়ে, খাদ্য মন্ত্রনালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে  “জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন ও দক্ষতাবৃদ্ধি কর্মসূচি” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ।
এই কর্মশালায় দেশের দুর্যোগ ও খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। কর্মশালায় খাদ্য মন্ত্রনালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থার  চল্লিশ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। তারা তাদের বিভিন্ন বিষয়ে অ্যাপ্লিকেশন নির্মাণের ধারণা উপস্থাপন করেন।
এর মধ্যে নদীর পানি প্রবাহ সংক্রান্ত তথ্য, বেসরকারি খাদ্য মজুদ তথ্য, দুর্যোগ তথ্য, ওএমএস উইন্ডো, ইউনিয়ন পর্যায়ের খাল-বিলে তথ্য নিয়ে অ্যাপ্লিকেশন নির্মাণের ধারণা উপস্থাপন করা হয়। এদিকে সর্ব সাধারণের কাছ থেকে অ্যাপ্লিকেশন নির্মাণের ধারণা নিতে একটি ওয়েব সাইট খোলা হয়েছে।
কর্মশালায়  আইসিটি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের দেশ দুর্যোগ প্রবণ। প্রায়ই এই দুর্যোগ আমাদের খাদ্য নিরপত্তা ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়। তাই আমরা যদি সহজে  মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে দেশের মানুষদের আগাম দুর্যোগের তথ্য দিতে পারি তবে দুর্যোগ মোকাবেলা সম্ভব হবে। অন্যদিকে দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিলে খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা যাবে।
কর্মশালায় আইডিয়া শ্রবণ ও গ্রুপওয়ার্ক ডিস্ট্রিবিউশন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ও কর্মসূচি উপ-পরিচালক মিয়া মোহাম্মাদ কেয়াম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. মাইনুল হক, এথিকস এডভান্স টেকনোলোজি লিমিটেডের সিটিও ড. রাজেশ পালিত প্রমুখ।

Lv`¨ I `y‡h©vM wb‡q Avm‡Q A¨vcm

‡gvevB‡ji e¨envi evo‡Q c«wZwbqZ| GB wecyj msL¨vK ‡gvevBj e¨enviKvix‡`i Kv‡Q Lv`¨ I `y‡h©vM msµvš— Z_¨ ‡cŠu‡Q w`‡Z ‡gvevBj A¨vwc­‡Kkb (A¨vcm) ‰Zwii D‡`¨vM wb‡q‡Q Z_¨ I ‡hvMv‡hvMc«hyw³ gš¿Yvjq(AvBwmwU)| GB D‡`¨v‡M AvBwmwU gš¿Yvj‡qi m‡½ i‡q‡Q Gw_Km GWfvÝ ‡UK‡bv‡jvwR wjwg‡UW (BGwUGj)|

e…n¯úwZevi ivRavbxi nvDR wewìs dvBbvÝ K‡c©v‡ikb fe‡b AvBwmwU gš¿Yvj‡q, Lv`¨ gš¿bvjq Ges `y‡h©vM e¨e¯’vcbv gš¿Yvj‡qi m‡½  ÒRvZxq ch©v‡q ‡gvevBj A¨vwc­‡Kkb Dbœqb I `¶Zve…w× Kg©m~PxÓ kxl©K Kg©kvjv AbywôZ n‡q‡Q| GB Kg©kvjvi D‡Øvab K‡ib AvBwmwU gš¿Yvj‡qi AwZwi³ mwPe Kvgvj DwÏb Avn‡g`|

GB Kg©kvjvq ‡`‡ki `y‡h©vM I Lv`¨ msµvš— Z_¨ gvby‡li Kv‡Q mn‡R ‡cŠu‡Q w`‡Z ‡gvevBj A¨vwc­‡Kkb wbg©v‡Yi c«‡qvRbxqZv Zy‡j aiv nq| Kg©kvjvq Lv`¨ gš¿bvjq Ges `y‡h©vM e¨e¯’vcbv gš¿Yvj‡qi Aaxb¯’ wewfbœ ms¯’vi  Pwj­k Rb Kg©KZ©v AskM«nb K‡ib| Zviv Zv‡`i wewfbœ wel‡q A¨vwc­‡Kkb wbg©v‡Yi aviYv Dc¯’vcb K‡ib|

Gig‡a¨ b`xi cvwb c«evn msµvš— Z_¨, ‡emiKvwi Lv`¨ gRy` Z_¨, `y‡h©vM Z_¨, IGgGm DB‡Ûv, BDwbqb ch©v‡qi Lvj-we‡j Z_¨ wb‡q A¨vwc­‡Kkb wbg©v‡Yi aviYv Dc¯’vcb Kiv nq| Gw`‡K me© mvavi‡Yi KvQ ‡_‡K A¨vwc­‡Kkb wbg©v‡Yi aviYv wb‡Z GKwU I‡qe mvBU ‡Lvjv n‡q‡Q| ‡h ‡KDB nationalapps.moict.gov.bd mvB‡U aviYv Rgv w`‡Z cvi‡eb|

Kg©kvjvq  AvBwmwU gš¿Yvj‡qi AwZwi³ mwPe Kvgvj DwÏb Avn‡g` e‡jb, Avgv‡`i ‡`k `y‡h©vM c«eY| c«vqB GB `y‡h©vM Avgv‡`i Lv`¨ wbicËv e¨e¯’v‡K SyuwKi gy‡L ‡d‡j ‡`q| ZvB Avgiv hw` mn‡R  ‡gvevBj A¨vwc­‡Kk‡bi gva¨‡g ‡`‡ki gvbyl‡`i AvMvg `y‡h©v‡Mi Z_¨ w`‡Z cvwi Z‡e `y‡h©vM ‡gvKv‡ejv m¤¢e n‡e| Ab¨w`‡K `y‡h©vM ‡gvKv‡ejvi c«¯—ywZ wb‡j Lv`¨ wbivcËvI wbwðZ Kiv hv‡e|

Kg©kvjvq AvBwWqv k«eY I MªycIqvK© wWw÷«weDkb K‡ib Z_¨ I ‡hvMv‡hvM c«hyw³ gš¿Yvj‡qi mnKvix mwPe I Kg©m~Px Dc-cwiPvjK wgqv ‡gvnv¤§v` ‡Kqvg DwÏb|

Abyôv‡b AviI Dcw¯’Z wQ‡jb Lv`¨ Awa`߇ii AwZwi³ gnvcwiPvjK ‡gv. gvBbyj nK, Gw_Km GWfvÝ ‡UK‡bv‡jvwR wjwg‡U‡Wi wmwUI W. iv‡Rk cvwjZ c«gyL|

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ