অ্যাপোলো ইস্পাতের তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিল ডিএসই
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

অ্যাপোলো ইস্পাতের তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিল ডিএসই

appllp_LOGOবহুল আলোচিত অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) প্রক্রিয়া শেষ করে মূল বা সেকেন্ডারি মার্কেটে লেনদেন শুরু করার জন্য ডিএসই সার্বিক দিক বিবেচনা করে এ অনুমোদন দেয়।

 

আগামি সপ্তাহের যে কোনো দিন দুই পুঁজিবাজারেই কোম্পানিটির লেনদেন চালু হবে বলে ডিএসই কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ডিএসইর পর্ষদ সভায় সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিও আবেদন নেওয়া হয়। প্রবাসীদের জন্য এ আবেদনের সুযোগ থাকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত।

অ্যাপোলো ইস্পাত আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে ১০ কোটি শেয়ার ছাড়ে। এর বিপরীতে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি আবেদন জমা পড়ে। প্রতিষ্ঠানের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দাম ২২ টাকা ধার্য করা হয়েছিল। ২০০টি শেয়ারে একটি মার্কেট নির্ধারণ করা হয়।

ওই সময় অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপিওতে মোট দুই দশমিক ২৭ গুণ আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে দুই দশমিক ৯ গুণ, ক্ষতিগ্রস্ত সবাই এক লট করে পেয়েছে, তবে মাল্টিপল অ্যাপ্লাইয়ারদের (২ দশমিক ২ গুণ) মধ্যে লটারি হয়েছে, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে দেড় গুণ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে এক দশমিক তিন গুণ আবেদন জমা পড়েছে। পরবর্তীতে চলতি বছরের ৭ নভেম্বর  অ্যাপোলো ইস্পাতের আইপি’র  লটারী অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসঙ্গত. এর আগে গত ২২ আগস্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৪৮৯তম সভায় কোম্পানির আগের আইপিও স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। এ বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্সকে গত ৪৬০তম কমিশন সভায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের অনুমতি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে ৪৬৮তম কমিশন সভায় উক্ত কোম্পানির প্রাথমিক চাঁদা গ্রহণের তারিখ স্থগিত করা হয়। চাঁদা স্থগিত করার পর কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য আদালতের আদেশ অনুযায়ী পরিচালকদের কিছু সংখ্যক শেয়ার অভিযোগকারী শেয়ারহোল্ডাদের অনুকূলে হস্তান্তর করে।

এছাড়াও কোম্পানির কর সংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মতামত নেয়া হয়। আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোম্পানির সকল পরিচালকগণের ঋণ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যা সংশোধিত প্রসপেক্টাসে অন্তুর্ভূক্ত হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়ে কোম্পানি কর্তৃক থেকে ব্যাখ্যা নেওয়া হয়েছে এবং প্রসপেক্টাসে অন্তুর্ভুক্ত হয়েছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ