বোনাস নিয়ে ২০০ পোশাক কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষের সম্ভাবনা
বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২০
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বোনাস নিয়ে ২০০ পোশাক কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষের সম্ভাবনা

ঈদের আগে বেতন-বোনাস পরিশোধ নিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানের ২০০ পোশাক কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে গার্মেন্টের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কোর কমিটির সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এ তথ্য জানান।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হকের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন শিল্প কারখানার মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

garment32পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স) মো. মনিরুজ্জামান সভায় বলেন, তিনি বলেন, ঢাকা শহরের ১২২টি, ঢাকার বাইরের আরও ৪৮টিসহ মোট ২০০ গার্মেন্টে ঈদের আগে বেতন-ভাতা দিতে পারবে না বলে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে। যদি ২০টি গার্মেন্টে সমস্যা হয় তাহলে মানুষের ঈদ মাটি। রোড বন্ধ হয়ে গেলে উত্তরবঙ্গ রুট, চট্টগ্রামের রুট এবং সিলেটের রুটে বন্ধ হয়ে যাবে। ক্রাইসিস হয়ে গেলে সামর্থ না থাকলেও পেমেন্টে করতেই হয়, সেজন্য আগে থেকে করাটাই ভালো।

মনিরুজ্জামান আরও বলেন, এনজিও আছে, এখানে অনেক পক্ষ আছে, তারা যতটা না শ্রমিক সংগঠন তার চেয়ে বেশি পলিটিক্যাল সংগঠন। এটা নির্বাচনী বছর, ঈদের আগে শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে কেউ ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করতে পারে। বিষয়গুলো বিবেচনার অনুরোধ করছি।

সম্প্রতি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের তথ্য দিয়ে কার্যপত্রে বলা হয়, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ এবং খুলনা এলাকার মার্চে শ্রমিক অসন্তোষ ঘটা কারখানার সংখ্যা ১৬৮টি এবং এপ্রিলে ১৫৮টি। ৭-৮ দিন পূর্বে বেতন-ভাতা ও বোনাস প্রদান না করা, বোনাসের পরিমাণ কম, সময় চাহিদা মোতাবেক ছুটি না পাওয়া, বেতন-ভাতা প্রদান না করেই ঈদের সময়ে লে-অব ঘোষণা করা, শ্রমিক ছাঁটাই বা নির্যাতন বা হয়রানির কারণে অসন্তোষ হতে পারে।

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যেসব পোশাক কারখানা আমাদের মেম্বার না, আমরা তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারি না। এখন পর্যন্ত তালিকাভুক্ত আমাদের মেম্বার কারখানাগুলোর শ্রমিক সংখ্যা ৩০ লাখ। এছাড়া আমরা কারখানার ম্যাপিংও করছি।

অর্থসূচক/ জেজে

এই বিভাগের আরো সংবাদ