তামাকে কর বাড়ানোর দাবি সাত সংগঠনের

tamak-0-2

তামাক নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বার্থে তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য নির্ধারণ এবং তামাকের ওপর কর বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে তামাক বিরোধী সংগঠনগুলো। আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেঞ্জ লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

ব্যুরো অব ইকোনোমিক রিসার্চ- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি, ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট, বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন, তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ), বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্ট যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

tamak-0-2সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সৈয়দা অনন্যা রহমান বলেন, তামাক থেকে বিপুল পরিমাণে রাজস্ব আসে এই যুক্তি দিয়ে তামাক কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে তামাকজাত দ্রব্যের কর বাড়ানোর বিরোধিতা করে আসছে। তার পাশাপাশি আছে তামাকজাত দ্রব্যের কর কাঠামোয় শুভঙ্করের ফাঁকি।

ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের এই ম্যানেজার জানান, গ্লোবাল অ্যাটলাসের সর্বশেষ তথ্যানুসারে তামাক ব্যবহারজনিত রোগে প্রতিবছর বাংলাদেশে ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ মারা যায়। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৮ (১) অনুসারে জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশই তরুণ। অর্থাৎ ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা হলো চার কোটি ৭৬ লাখ। ২০৬১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রবীণ মানুষের সংখ্যা পাঁচ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ২০১১ সালে যে সংখ্যাটি ছিল ১ কোটি ১২ লাখ, তা ২০৬১ সালে আনুমানিক ৫ কোটি ৬৭ লাখ হবে। বর্তমান যুবদের অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সচেতন করতে পারলে আগামী দিনের প্রবীণদের মাঝে এ রোগ কমে আসবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহউদ্দিন ফারুক, তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) আহ্বায়ক ফরিদা আখতার, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ, ব্যুরো অফ ইকোনোমিক রিসার্চ ফোকাল পার্সন অধ্যাপক ড. রুমানা হক প্রমুখ।

অর্থসূচক/ জেজে