এক ম্যাচে দুই জয় নিউজিল্যান্ডের
শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

এক ম্যাচে দুই জয় নিউজিল্যান্ডের

তিন ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১১৯ রানের জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। এই জয়ে সিরিজের পাশাপাশি টি-টুয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠেছে নিউজিল্যান্ড।

জয়ের ম্যাচে সেঞ্চুরি করে মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কলিন মুনরো। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে ৩টি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।

টি-টুয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে বড় জয় নিউজিল্যান্ডের (ছবি- সংগৃহিত)

এই জয়ে ২-০ ব্যবধানে টি-টুয়েন্টি সিরিজ জিতল নিউজিল্যান্ড। পাশাপাশি পাকিস্তানকে টপকে টি-টুয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠেছে কিউইরা। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটা বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল।

রানের হিসাবে টি-টুয়েন্টিতে এটিই নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় জয়। ২০১৬ সালে ওয়েলিংটনে পাকিস্তানের সঙ্গে ৯৫ রানের জয় ছিল আগের রেকর্ড। সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের ১১৯ রানের চেয়ে বড় জয় আছে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩০ রানে ও শ্রীলংকা ১৭২ রানে।

এই সফরে টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে,ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ এবং টি-টুয়েন্টি সিরিজ হারল ২-০ ব্যবধানে হেরে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯৯৯-২০০০ সালের পর এই প্রথম নিউজিল্যান্ড থেকে খালি হাতে ফিরল ক্যারিবীয়রা।

আজ বুধবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন মানরো ও মার্টিন গাপটিল।  ১১.৩ ওভারে ১৩৬ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন তারা। দুই জনই তুলে নেন অর্ধশতক। গাপটিল ৩৮ বলে ৫টি চার এবং ২টি ছক্কায় ৬৩ করে ফিরলে ভাঙে এ জুটি।

৪৭ বলে  দ্রুততম সেঞ্চুরি করেন কিউই ব্যাটসম্যান মুনরো। ২০০৯-১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ৫০ বলের সেঞ্চুরি ছিল আগের রেকর্ড।

শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে ৩ চার ও ১০ ছক্কায় ১০৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন মানরো। তার ১০ ছক্কা নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানের যৌথভাবে সর্বোচ্চ। ২০১৭ সালে একই মাঠে বাংলাদেশের সঙ্গে ১০ ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন কোরি অ্যান্ডারসনও।

এ ছাড়া অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের ৮ বলে ১৯ রানের সুবাদে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৪৩ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। যেটি এই ফরম্যাটে তাদের সর্বোচ্চ রান। পেছনে পড়েছে ২০০৯-১০ সালে ক্রাইস্টচার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করা ২১৪ রান।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ জোড়া ধাক্কা খায় শুরুতেই। টিম সাউদির করা প্রথম ওভারেই আউট হয়ে যান দুই ওপেনার চ্যাডউইক ওয়ালটন ও ক্রিস গেইল।ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ তখন ২ উইকেটে ১ রান!

এরপর আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি সফরকারীরা। ১৬.৩ ওভারে ১২৪ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। একমাত্র এন্ড্রে ফ্লেচার ছাড়া বলার মতো কিছু করতে পারেননি আর কেউ। সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে ফ্লেচারের ব্যাট থেকেই। রোভম্যান পাওয়েল করেন ১৬ রান।

২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার সাউদি। আরেক পেসার ট্রেন্ট বোল্ট ২৯ রানে নেন ২ উইকেট। স্পিনার ইশ সোধিও ২৫ রানে ২ উইকেট নেন। ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হয়েছেন মুনরো।

অর্থসূচক/এইচ আর

এই বিভাগের আরো সংবাদ