‘সারাদেশে আরও ২৪৪টি ফায়ার স্টেশন হবে’
মঙ্গলবার, ১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘সারাদেশে আরও ২৪৪টি ফায়ার স্টেশন হবে’

২০১৯ সালের মধ্যে সারাদেশে উপজেলা পর্যায়ে আরও ২৪৪টি নতুন ফায়ার স্টেশন স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান।

তিনি আজ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে(বাসস)জানান, দেশে অগ্নিকাণ্ড এবং হতাহত বন্ধ করতে দুইটি পৃথক প্রকল্পের মাধ্যমে এসব ফায়ার স্টেশন স্থাপন করা হবে।

তিনি জানান, সরকারি অর্থায়নে ২০১৯ সালের মধ্যে এসব ফায়ার স্টেশন স্থাপনের জন্য চারটি প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে।

তার দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে সারাদেশে ৩৩০টি ফায়ার স্টেশন অগ্নিনির্বাপণসহ বিভিন্ন দুর্যোগে কাজ করে যাচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক জানান, ২০১৬ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত সারাদেশে ১৮ হাজার ৪৮টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আর এসব ঘটনায় ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৪২৯ কোটি ৯৩ লাখ ৭৮ হাজার ৪৮ টাকা।

এছাড়া আলোচ্য সময়ে আনুমানিক ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৫৪ লাখ ৫২ হাজার ৪১৮ টাকা সম্পদ অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে রক্ষা করা গেছে বলেও জানান তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান জানান, উল্লেখিত ঘটনাগুলোর শতকরা ৭৫ ভাগ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে। এছাড়া চুলার আগুন, সিগারেটের টুকরা থেকেও কিছু আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া উত্তপ্ত ছাই বা জ্বালানি, ছোটদের আগুন নিয়ে খেলা, যন্ত্রাংশের ঘর্ষণজনিত কারণেও কিছু অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ডিজি বলেন, স্কুল কলেজ, হাসপাতাল, বিপণিবিতান ও বহুতল ভবনে ফায়ার সার্ভিসের টিম গিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। অগ্নিকান্ড ও ভুমিকম্পের সময় কি কি করতে হবে, সে ব্যাপারে সাধারণ জনগণকে সচেতন করা হয়।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের অগ্নিকান্ড, দুর্ঘটনা ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ মোকাবেলায় কমিউনিটি লেভেলে ৬২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক তৈরির বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় ইতোমধ্যে ৩৬ হাজার ভলান্টিয়ারকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষম করে তোলা হয়েছে।

তিনি আশা করেন, কমিউনিটি লেভেলে এই ৬২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা গেলে ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের সাথে তারা উদ্ধার কাজে অংশ নিয়ে অনেক জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সক্ষম হবেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে অগ্নিনির্বাপনে দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

টি

এই বিভাগের আরো সংবাদ