পাইকারিতে কমেছে চালের দাম
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পাইকারিতে কমেছে চালের দাম

অবশেষে চালের দাম কমতে শুরু করেছে। মিল ও পাইকারি পর্যায়ে সব ধরনের চালে কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মিল ও পাইকারি বাজারে চালের দাম কমলেও খুব বেশি প্রভাব পড়েনি খুচরা পর্যায়ে। ফলে স্বস্তি ফেরেনি ভোক্তাদের মাঝে।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ইতোমধ্যে সব ধরনের চালে ২ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। পাইকারি বাজারে সবেমাত্র চালের দাম কমানো হয়েছে; আমরাও চালের দাম কমিয়েছি। আগের চালগুলো বিক্রি শেষ হলে নতুন চাল আনার পর খুচরা বাজারে চালের দাম আরও কমবে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম ১-২ টাকা পর্যন্ত কমেছে। মোটা স্বর্ণা চাল ২ টাকা কমে প্রতি কেজি ৪৬ টাকা, পারিজা চাল ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Rice (3)

বিভিন্ন ধরনের চাল। ফাইল ছবি

এছাড়া মিনিকেট (ভালো মানের) ২ টাকা কমে ৫৬-৫৮ টাকা, মিনিকেট (সাধারণ) ৫৪-৫৬ টাকা, বিআর২৮ ৫০ টাকা, সাধারণ মানের নাজিরশাইল ৫২ টাকা, উন্নত মানের নাজিরশাইল ৫৪ টাকা, পাইজাম চাল ৪৮-৫০ টাকা, বাসমতি ৫৪ টাকা, কাটারিভোগ ৭৪-৭৬ টাকা এবং পোলাও চাল (পুরাতন) ১০০ টাকা, (নতুন) ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাজার দর পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালে ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

হাতিরপুল বাজারের মুদি ব্যবসায়ী আরিফুর রহমান হৃদয় বলেন, সব ধরনের চালেই ২ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। পাইকারি থেকে আমরা যে দামে চাল কিনি; সেটার সঙ্গে মিল রেখেই দাম কমাই। ভারতীয় চাল এখনও আমরা আনিনি। তবে দু-এক দিনের মধ্যে চালের দাম আরও কমে আসবে।

গত সপ্তাহে রাজধানীর পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি চালে ১-২ টাকা পর্যন্ত কমেছে। দাম কমেছে মিল পর্যায়েও। যদিও খুচরা পর্যায়ে দাম কমার এই প্রভাব পড়তে সপ্তাহখানেক সময় লেগেছে। তবে কয়েকদিনের মধ্যে দাম আরও কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচা পণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা; শশা ৫০ টাকা; চাল কুমড়া ৫০ টাকা; কচুর লতি ৬০ টাকা; পটল ৫০ টাকা; ঢেঁড়স ৫০ টাকা; ঝিঙ্গা ৬০ টাকা; চিচিঙ্গা ৫০ টাকা; করলা ৫০ টাকা; কাকরোল ৫০ টাকা; পেঁপে ৪০-৫০ টাকা; কচুরমুখী ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিটি ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা এবং লেবু হালি প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা; পালং শাক আঁটি প্রতি ১৫ টাকা; লালশাক ১৫ টাকা; পুঁইশাক ২০ টাকা এবং লাউশাক ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া আজকের বাজারে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ২৮ টাকা; ভারতীয় পেঁয়াজ ২৮ টাকা; দেশি রসুন ১০০ টাকা; ভারতীয় রসুন ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। হাইব্রিড টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা; দেশি টমেটো ৯০ দরে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ৮০ টাকা; আলু ২৩ টাকা।

মুদি বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ছোলা ৮৫ টাকা; দেশি মুগ ডাল ১৩০ টাকা; ভারতীয় মুগ ডাল ১২০ টাকা; মাসকলাই ১৩৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১২৫ টাকা; ভারতীয় মসুর ডাল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া ৫ লিটারের ভোজ্য তেলের বোতল ব্র্যান্ড ভেদে ৫০০-৫১০ টাকা; প্রতি লিটার ভোজ্য তেল ১০০-১০৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনি ৩৬০ টাকা; জিরা ৪৫০ টাকা; শুকনা মরিচ ২০০ টাকা; লবঙ্গ ১৫০০ টাকা; এলাচ ১৬০০ টাকা; চীনের আদা ১২০ টাকা এবং ক্যারালা আদা ১৪০ টাকা; হলুদ ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৫০-৩৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩৫০-৪৫০ টাকা, কাতলা ৩৫০-৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৮০ টাকা, সিলভার কার্প ২০০-২৫০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস প্রতি কেজি ১৫০-২৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, মাগুর ৬০০-৮০০ টাকা, প্রকার ভেদে চিংড়ি ৪০০-৮০০ টাকা, প্রতিটি ইলিশ ৮০০-১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে; প্রতি কেজি ইলিশের দাম রাখা হচ্ছে ১৬০০ টাকা।

ব্রয়লার মুরগি আজকের বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা; লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা; দেশি মুরগি প্রতি পিস ৪০০ টাকা; পাকিস্তানি লাল মুরগি ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া গরুর মাংস ৫০০ টাকা; খাসির মাংস ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অর্থসূচক/মুন্নাফ/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ