‘সমালোচনার গুলি’ সহ্য করতে অভ্যস্ত মেয়র নাছির
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘সমালোচনার গুলি’ সহ্য করতে অভ্যস্ত মেয়র নাছির

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, ট্রাফিক জ্যামসহ সংশ্লিষ্ট সব সমস্যার জন্য দায়ী করা হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে। বন্দুকের গুলি শুধু আমার দিকেই তাক করা আছে। সমালোচনার গুলি সহ্য করতে আমি অভ্যস্ত।

আজ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কে বি আব্দুচ মিলনায়তনে সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যা দীর্ঘদিনের পুরোনো সমস্যা। অপরিকল্পিত নগরায়ন, নালা-নর্দমা, খালগুলোর সংস্কারহীনতা, অবৈধ দখল বাণিজ্যের কবলে পড়ে নগরের ৩৬টি খালের অধিকাংশই ভরাট আর দখল হয়ে গেছে। বাকি যে খালগুলোতে নগরের পানি নিষ্কাশনে সক্রিয় রয়েছে- তা বলতে গেলে নামমাত্র। বর্ষা মৌসুমের অতিবৃষ্টি, উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলে নিয়মিত জোয়ার-ভাটার প্রভাবে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা দূর করতে খালগুলো দৃশ্যমান কোনো ভূমিকাই রাখতে পারছে না।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা সমস্যাকে ইস্যু বানিয়ে অনেকে অপরাজনীতি করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত আছেন। উনারা সবাই এই সমস্যার নেপথ্য কারণ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। মেয়রের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করতে, চট্টগ্রামের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে এই জনবিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

চসিক মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা সমস্যা কমপক্ষে ২০-২৫ বছর আগের সমস্যা। নগর উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা, ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়ন না হওয়া, তার সাথে আমাদের জনঅসচেতনতা জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অন্যতম কারণ।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিয়মিত খাল খনন, নালা-নর্দমা সংস্কারসহ নানামুখী কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা কাজ করছি। ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মহেশখাল খনন, এর সঙ্গে বঙ্গোপসাগরমুখী নতুন ডাইভারশন খাল খনন, মহেশখালের দুইপাড়ে রাস্তা নির্মাণ, সবুজায়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আগামী বছর আর আগ্রাবাদ, হালিশহরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা জলাবদ্ধতার হাত থেকে মুক্তি পাবে।

কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম (আইইবি) সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. হারুণ,বর্তমান সহসভাপতি প্রকৌশলী এমএ রশিদ, বিএমএ সভাপতি ডা. মুজিবুল হক খান, চট্টগ্রাম টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি আলহাজ্ব আলী আব্বাস,স্থপতি সোহেল মাহমুদ শাকুর, চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ নগর সম্পাদক এম নাসিরুল হক, চেম্বার সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, মহিলা চেম্বার পরিচালক রেখা আলম চৌধুরী তাদের  মতামত উপস্থাপন করেন।

দেবব্রত/এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ