রাতে খুলনার মার্কেটে উপচেপড়া ভিড়
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

রাতে খুলনার মার্কেটে উপচেপড়া ভিড়

গরমে রাতে ঈদের কেনাকাটার একটা আলাদা মজা আছে। তাছাড়া  ঈদের কাছাকাছি সময়ে দিন-রাতের কোনো পার্থক্য নেই। যে কারণে সন্ধ্যার পর মার্কেটে এসেছি।

আজ শুক্রবার খুলনা মহানগরীর ডাক বাংলোর মোড়ে সম্রাট বাজারে জুতা কিনতে আসা মাহবুব নামের এক ক্রেতা এসব কথা বলেন। তার মতে, গরম আর আর যানজট এড়াতে কেনাকাটার জন্য রাতের সময়কে বেছে নিয়েছে অনেকে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকে মার্কেটগুলোতে বাড়ছে মানুষের ভিড়। সব শপিংমল বিপণিবিতান বিয়ে বাড়ির মতো করে সাজানো। সন্ধ্যা হতেই জ্বলে উঠছে নানা রঙের মরিচবাতি। ঈদকে সামনে রেখে সবচেয়ে বেশি সাজানো হয়েছে নিউ মার্কেট, খুলনা শপিং কমপ্লেক্স, এস এম রব শপিং কমপ্লেক্স, জলিল সুপার মার্কেট, খুলনা বিপনী বিতান। ক্রেতাদের ভিড়ের কারণে  রাতের নীরব শহর সরব হয়ে উঠেছে। কিছু কিছু স্থানে যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। আর যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশকে দায়িদ্ব পালন করতে দেখা গেছে।

দোকানিরা জানান, মধ্যরাত পর্যন্ত চলে ঈদের জমজমাট শপিং। মহানগরীর অভিজাত নিউ মার্কেট থেকে গরিবের রেলওয়ে মার্কেট পর্যন্ত রাতে জনস্রোত নামে।

তারা আরও জানান, ঈদের আগের রাত পর্যন্ত এভাবেই প্রতিবছর রাতে বেচাকেনা হয়। দিনের বেলায় বেশির ভাগ সময় সবাই ব্যস্ত থাকে নানা কাজকর্ম নিয়ে। তাই রাতের বেলা পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে মার্কেটে আসেন তারা।

নিউ মার্কেটের চেরি পোশাকের দোকানের মালিক শাহিদ মৃধা বলেন, শেষ মুহূর্তে জমজমাট বেচাকেনা। দিনের বেলা তীব্র গরম ও যানজটের কারণে যারা আসতে পারেন না তারা রাতে কেনাকাটা করতে আসেন।

তিনি জানান, রাত ১২টা পর্যন্ত জমজমাট বেচাকেনা হয়ে থাকে। আর চাঁদ রাতে সারা রাত সারারাত কেটাকাটা চলবে।

জলিল সুপার মার্কেটের পালকি শাড়ির দোকানের মালিক ওহিদ বলেন, এখন দিন রাত সমান বেচা কেনা হচ্ছে। দেশি শাড়ির এবার কদর বেশি।

তিনি জানান, ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে মার্কেট কর্তৃপক্ষ আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করেছে।

শিউলী/এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ