সিএমসিসিআই সভাপতি খলিলুর রহমান পুনঃনির্বাচিত
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

সিএমসিসিআই সভাপতি খলিলুর রহমান পুনঃনির্বাচিত

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার (সিএমসিসিআই) ৩য় বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান। এছাড়া নতুন এই কমিটিতে ৪ জন পরিচালক নতুন করে নির্বাচিত হয়েছেন।

গত মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন চেম্বারের ২০১৭-২০১৮-২০১৯ মেয়াদের প্রেসিডিয়াম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডিয়ামে নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন- প্রথম সহ-সভাপতি শওকত আলী চৌধুরী (নামরীন এন্টারপ্রাইজ), সহ-সভাপতি সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ), সহ-সভাপতি এ এম মাহবুব চৌধুরী (আরাফাত ফ্যাশন গার্মেন্টস লিঃ), সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম (মীর পাল্প এন্ড পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ), সহ-সভাপতি এম এ মালেক (দৈনিক আজাদী) এবং কোষাধ্যক্ষ নুরুল আবচার (এমইবি পেপার এন্ড বোর্ড মিলস লি)।

জানা গেছে, ২০০৯ সালে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের দাবিতে চট্টগ্রাম চেম্বার অফ কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে বের হয়ে চট্টগ্রামের শিল্পপতিরা একজোট হয়ে এই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার গঠন করে। তবে এই চেম্বারের গত দুই নির্বাচনে মেট্রোপলিটন চেম্বারের নেতৃত্ব নির্ধারিত হয়েছে মনোনয়নের ভিত্তিতে। পরিচালক ও প্রেসিডিয়াম সব পদে নেতৃত্ব নির্বাচন হয়েছে সরাসরি নির্বাচন ছাড়াই।

সিএমসিসিআই’র পুনঃনির্বাচিত সভাপতি খলিলুর রহমান।

এবারের নির্বাচনে সরাসরি ভোট ছাড়ায় নির্বাচিত হয়েছেন ৪২ জন পরিচালক। কমিটিতে নতুন প্রেসিডিয়ামের মধ্যে দুজন সহ সভাপতি পরিবর্তন হয়েছে, বাকি ৫ জন আগের কমিটিতে ছিলেন।

এ বিষয়ে নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. শরীফুজ্জামান বলেন, এই চেম্বারের সদস্য সংখ্যা মাত্র ৬০০ জন মতো। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার নির্বাচনে সাধারণ সদস্যের ভোটে ৩৭ পরিচালক নির্বাচনের নিয়ম রয়েছে। এই ৩৭ সদস্য আরো ৫ সদস্যকে পরিচালক হিসেবে কো-অপ্ট বা অন্তর্ভুক্ত করার নিয়ম রয়েছে।

নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পর ৩৭ টি পদে অনেকেই আবেদন করেছিলো। পরে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময় ৩৭ জন ছাড়া বাকিরা তাদের আবেদন প্রত্যাহার করায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সিএমসিসিআই’র লোগো।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৩৭ জন পরিচালকের মধ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য ৭ জন। এদিকে অর্ডিনারি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত পরিচালক হলেন,  আবদুস সামাদ লাবু (এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট), সৈয়দ মো. আবু তাহের (এ বি শিপব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রি), মো. লিয়াকত আলী চৌধুরী (আসাদী স্টিল ), মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল (বেঙ্গল শিপিং লাইন), আমির আলী হোসাইন (বাংলাদেশ স্টিল রি রোলিং), চৌধুরী মুহিবুল হাসান নওফেল (বিজয় টিভি), হাজি মোহম্মদ ইউনুস (এছাক ব্রাদার্স ইন্ডাস্ট্রিজ), মো. ডব্লিউ আর আই মাহমুদ রাসেল (এসকেপ বাংলাদেশ লিমিটেড), অধ্যাপক আহসানুল আলম পারভেজ (ইম্পেরিয়াল ডেভ. টেকনোলোজি), আবুল কালাম (কর্ণফুলী স্টিল মিলস লিমিটেড), শফিকউদ্দিন (মোস্তাফা অর্গানিক শ্রিম্প), মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন (প্যাসিফিক জিন্স), মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন আলম (এসএ অয়েল রিফাইনারি), সাজির আহমেদ (সুপার রিফাইনারি প্রাইভেট লিঃ), মোহাম্মদ আমিনুজ্জামান ভুঁইয়া (ইউনি রিসোর্ট লিমিটেড) এবং মোহাম্মদ মহসিন।

এসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে এনামুল হক (আলম এন্ড ব্রাদার্স), ডা. মহসিন জিল্লুর করিম (কার্ডিয়াক হার্ট এন্ড জেনারেল হসপিটাল), অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরী (চৌধুরী ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি), হাজি এম এ মালেক (সিটি সুয়েটার ইন্টারন্যাশনাল), মো. লোকমান হাকিম (ফেরদৌস স্টিল কর্পোরেশন), এস এম শামীম ইকবাল (কেডিএস এক্সেসরিজ), আবদুল হাই (লিজেন্ড ইন্টারন্যাশনাল), আবুল বশর চৌধুরী (মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ), আলহাজ মোহাম্মদ শফি (মাসুদ ট্রেডিং কোং), নাদের খান (পেডরোলো এনকে লিমিটেড), ইকবাল হোসেন চৌধুরী ( পিএইচপি পাওয়ার কোম্পানি), সেলিম রহমান (সাঁইদাইর গার্মেন্টস), সৈয়দ নুরুল ইসলাম (ওয়েলফুড লিমিটেড)।

কো-অফটেড ৫ পরিচালক হলেন, জসিম উদ্দিন চৌধুরী (ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক পূর্বকোণ), ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন (ওয়েস্টার্ন মেরিন), আবু সাঈদ চৌধুরী (সিদ্দিক ট্রেডার্স ), মিসেস সুলতানা শিরিন আক্তার এবং দিদারুল আলম।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. শরীফুজ্জামান। এছাড়া বোর্ডে সদস্য ছিলেন শিপিং ব্যক্তিত্ব আতাউল করিম এবং প্রিন্সিপাল মুসা সিকদার।

অর্থসূচক/দেবব্রত/কে এম

এই বিভাগের আরো সংবাদ