কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় ৪১৭৩ কোটি টাকা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় ৪১৭৩ কোটি টাকা

২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫১ কোটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার ১৭৩ কোটি টাকা; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫ দশমিক ৯০ শতাংশ কম। একইসঙ্গে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রথম ১১ মাসের তুলনায়ও এই খাতের রপ্তানি আয় ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ কম।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুন মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৯ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। প্রথম ১১ মাসে এ খাতের পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

tea_garden

চা পাতা তুলছেন এক শ্রমিক। ছবি সংগৃহীত

২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে চা রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে এই খাতে আয় হয়েছে ৪২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের আয় ১৬৯ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়েছে; আগের অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে চা রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৫ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে সবজি রপ্তানিতে ৮ কোটি ১১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এই সময়ে আয় হয়েছে ৭ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ কম। একইসঙ্গে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি ১৬ শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে সবজি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের আয় ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে তামাক ও তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫ কোটি ৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯১ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯২ দশমিক ০৪ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ কোটি ৯৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এই সময়ের মধ্যে এই খাতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ২৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের এই খাতের রপ্তানি আয়ের তুলনায় এবারের আয় ২৩ দশমিক ২০ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৬৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১০ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ের আয়ের তুলনায় এই খাতের আয় ১৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৮ কোটি ৬৬ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৫ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ কম। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের আয় শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-মে মেয়াদে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২৫ কোটি ৪৬ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ