খুলনায় জমজমাট ঈদ বাজার
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

খুলনায় জমজমাট ঈদ বাজার

হাতে গুনলে ঈদের আর বেশি সময় নেই। রোদ কিংবা বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদের কেনাকাটা নিয়েই ব্যস্ত সবাই। এ-দোকান ও-দোকান, এই-মার্কেট সেই-মার্কেট ঘুরে ঘুরে নিজেদের পছন্দের পোশাক কিনছেন ক্রেতারা। সারাদেশের মতো শিল্পনগরী খুলনাতেও ছোট-বড় সব ধরনের মার্কেট ও বিপণিবিতানে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

অভিজাত নিউ মার্কেট, খুলনা শপিং কমপ্লেক্স, জলিল সুপার মার্কেট, খুলনা বিপনী বিতান, সেইভ এন্ড সেইফ, আড়ং, ইজি ফ্যাশান হাউজের মতো বিপণীবিতানগুলোতে উচ্চ ও মধ্যবিত্তদের ভিড়ই তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে। ক্রেতাদের চাপ সামলাতে দোকান মালিক-কর্মীদের বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ এবার ঈদের বাজারে জামা-কাপড়ের দাম গতবারের চেয়ে বেশ চড়া।

ঈদের বাজারে জামা-কাপড়ের দাম গতবারের চেয়ে বেশ চড়া বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

জলিল সুপার মার্কেটের মাহবুব নামের এক ক্রেতা বলেন, এবার ঈদের বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। দোকানের বাইরের আলোকসজ্জা দেখে মনে হয় আমাদের মতো ক্রেতাদের পকেট কেটেই এসি-আলোকসজ্জার খরচ জোগাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, আগের বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি দামে কেনার কারণে ঈদের পোশাক বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ঈদের পোশাকের বাজারে মনিটরিং না থাকায় দাম নিয়ে ভোগান্তির পাশাপাশি বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছে মতো দাম নিচ্ছেন অভিযোগ ক্রেতাদের। গত বছরের মতো খুলনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঈদ বাজার মনিটরিং করার দাবি তুলছেন তারা।

তারেক নামের এক ক্রেতা বলেন, সব জিনিসের দাম বেশি হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। তাই দর কষাকষির মধ্যে না গিয়ে এক দামের হাউজ থেকে পাঞ্জাবি কিনেছি।

ইজি ফ্যাশান হাউজের বিক্রেতা সুমন বলেন, এক দামের দোকানগুলোতে পাঞ্জাবি ১৬৯০ থেকে ৩২৮০ টাকা, শার্ট ১০৫০ থেকে ১৮৯০ টাকা, প্যান্ট ১৪৯০ থেকে ২৪৮০ টাকা ও গেঞ্জি ৩৯০ থেকে ১২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের ভিড় এখন তৈরি পোশাক আর শাড়ির দোকানে।

ঈদ মার্কেটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, থান কাপড়ের বেচাকেনা আগেই শেষ; ক্রেতারা এখন ভিড় করছেন তৈরি পোশাক আর শাড়ির দোকানে। এসব দোকানে ভিড়ের সঙ্গে বেচাকেনাও চলছে সমান তালে। দেশীয় জামদানি, টাঙ্গাইল ও তাঁতের নতুন ডিজাইনের শাড়িসহ নারীদের বিভিন্ন পোশাকই বিক্রি হচ্ছে বেশি।

জলিল সুপার মার্কেটের নিউ পালকি শাড়ির দোকানের মালিক ওহিদ জানান, শাড়িই বেশি বিক্রি হচ্ছে। আমাদের এখানে সর্বনিম্ন ৪০০ থেকে ২০ হাজার টাকা মূল্যের শাড়ি রয়েছে।

মহানগরীর মার্কেট ও বিপনী বিতানগুলোতে বাহারি পোশাকে দোকান ভর্তি করা হলেও বাজারে নতুন হুররাম ও বাহুবলী২ পোশাকের দিকে এবার নজর তরুণীদের।

আয়েশা এন্টারপ্রাইজের বিক্রেতা আরফিন শাহীন বলেন, এবার তরুনীদের পছন্দের শীর্ষে হুররাম ও বাহুবলী২। দাম ৭ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

অর্থসূচক/শিউলী/কে এম

এই বিভাগের আরো সংবাদ