আগামী বছরও শীর্ষ তুলা আমদানিকারক থাকবে বাংলাদেশ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

আগামী বছরও শীর্ষ তুলা আমদানিকারক থাকবে বাংলাদেশ

বর্তমানে তুলা আমদানিকারক দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ২০১৭-১৮ মার্কেটিং বছরেও (আগস্ট-জুলাই) এই তালিকায় বাংলাদেশ নিজের অবস্থানে অনড় থাকবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।

এই পরিসংখ্যান থেকে আরও জানা গেছে, ২০১৫-১৬ মার্কেটিং বছরে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন তুলা আমদানি করেছিল বাংলাদেশ। চলতি ২০১৬-১৭ মার্কেটিং বছরে প্রায় ১৩ লাখ ৬০ হাজার টন তুলা আমদানি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের ১ আগস্টে শুরু হতে যাওয়া মার্কেটিং বছরেও তুলা আমদানির এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

cotton

কারখানায় প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য তুলা নেওয়া হচ্ছে।

ইউএসডিএ-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগামী ২০১৭-১৮ মার্কেটিং বছরে বাংলাদেশ ১৫ লাখ ২০ হাজার টন তুলা আমদানি করতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ। তুলা আমদানিকারক দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকবে ভিয়েতনাম।

ইউএসডিএ-এর মতে, সারাবিশ্বের তুলার ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। আগামী বছরে বিশ্বব্যাপী তুলা উৎপাদন প্রায় ৭ শতাংশ বাড়তে পারে। তবে এর পর টানা ৩ বছর তুলা উৎপাদন কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উৎপাদন কমে গেলে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মতো তুলা আমদানিকারক দেশগুলোর ব্যয়ও বাড়বে।

ইন্টারন্যাশনাল কটন অ্যাডভাইজরি কমিটির (আইসিএসি) এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৭-১৮ মৌসুমে বিশ্বে দুই কোটি ৩৪ লাখ টন তুলা উৎপাদিত হতে পারে; যা চলতি মৌসুমের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আগামী মৌসুমে বিশ্বে তুলার আবাদ ৫ শতাংশ বাড়বে। তবে প্রতি হেক্টরে তুলার উৎপাদন প্রায় ১৩ শতাংশ কমতে পারে। চলতি মৌসুমে প্রতি হেক্টর জমিতে প্রায় ৭৮১ কেজি তুলা উৎপাদিত হয়েছে।

অর্থসূচক/এমই/কে এম

এই বিভাগের আরো সংবাদ