বিশ্বের কয়েকটি ঐতিহাসিক ক্লক টাওয়ার
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » টুকিটাকি

বিশ্বের কয়েকটি ঐতিহাসিক ক্লক টাওয়ার

বর্তমান ব্যস্ত সময়ে সময় ছাড়া যেরকম অচল, সেটা বোঝাতে কিছুক্ষণ পর পর মোবাইলের ঘড়ি বা হাত ঘড়িই তার প্রমাণ। স্কুলের রুটিন থেকে অফিসের টাইম টেবিল সর্বত্র যে বিষয়ের উপস্থিতি আবশ্যক, বিশ্বব্যাপী সেই ঘড়ির রয়েছে অনন্য বৈশিষ্ট্য, সঙ্গে রয়েছে অনেক অজানা তথ্যও।

তবে আনুমানিক সাড়ে ৫ হাজার বছর পূর্বে কোনো রকম মিনিট বা সেকেন্ডের কাঁটা বিহীন গোলাকার চাকতিতে একটি মাত্র নির্দেশক কাঁটা ও সময়ের ঘরের ছক নিয়ে প্রাচীন মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় যে ঘড়ির প্রচলন শুরু হয় তার নাম ছিল ‘সূর্যঘড়ি’।

অবশেষে ১৬৫৭ সালে ডাচ জ্যোতির্বিদ ক্রিশ্চিয়ান হাইজেন্স সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড এর কাঁটা সম্বলিত উন্নতমানের যান্ত্রিক ঘড়ির নকশা তৈরি করে মানব জাতির উন্নয়নে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া যোগ করে দিতে সক্ষম হন।

তাই আজ আমরা জনপ্রিয় কিছু ঘড়ি ও ক্লক টাওয়ার সম্পর্কে দেখে নেই-

জ্যটগ্লগ ক্লক টাওয়ার; বার্ন, সুইজারল্যান্ড

১. জ্যটগ্লগ ক্লক টাওয়ার; বার্ন, সুইজারল্যান্ড
বিশ্বের প্রাচীন ঘড়ির মধ্যে সুইজারল্যানন্ডের বার্নে অবস্থিত জ্যটগ্লগ ক্লক টাওয়ার অন্যতম। এই সুন্দর মধ্যযুগীয় টাওয়ার ত্রয়োদশ শতকে নির্মিত হয়েছিল। টাওয়ারের ঘড়িটি মূলত পঞ্চদশ শতকের একটি জ্যোতির্বিদ্যাঘড়ি। ইউনেস্কো বার্নকে ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘোষণা করার পর থেকে টাওয়ারটি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। বর্তমানে স্থানটি জনপ্রিয় পর্যটন স্পট।

সেভিয়র টাওয়ার, মস্কো, রাশিয়া

২. সেভিয়র টাওয়ার; মস্কো, রাশিয়া
এই ঐতিহাসিক ঘড়িটি বিখ্যাত রেড স্কোয়ারে সেইন্ট বাসিলের কাছাকাছি অবস্থিত। এই বিশাল ঘড়িটি ১৪৯১ সালে ডিজাইন করা হয় এবং ঘড়িটি স্থাপিত হয় ১৬২৫ সালে। এই ঘড়িটি মস্কো শহরের অন্যতম আকর্ষণ। দেশ-বিদেশের অনেক পর্যটকেই এলাকাটির সাথে ঘড়িটিও দেখতে আসেন।

পিস টাওয়ার; ওটোয়া, কানাডা

৩. পিস টাওয়ার; ওটোয়া, কানাডা
ক্লক টাওয়ারটি কানাডার ওটোয়া শহরের কেন্দ্রস্থলে কানাডিয়ান পার্লামেন্টেরিয়ান কমপ্লেক্সে অবস্থিত। বিজয় এবং শান্তির প্রতীক হিসেবে টাওয়ারটি তৈরি করা হয় যা ৩০২ ফুট লম্বা। ১৯১৬ সালে পিস টাওয়ারে আগুন লাগার কারণে ঘড়িটি ভিক্টোরিয়া টাওয়ারে স্থাপন করা হয়। কানাডার প্রাচীন ঐতিহ্য হিসেবে এই ঘড়িটি ১৮০ ফুট উঁচু ভিক্টোরিয়া টাওয়ারে রাখা আছে।

টাওয়ার অফ ওয়াইন্ডস, এথেন্স

৪. টাওয়ার অফ ওয়াইন্ডস, এথেন্স
পৃথিবীর অন্যতম পুরনো ও জনপ্রিয় ঘড়ি এথেন্সের টাওয়ার অফ ওয়াইন্ডস। মার্বেল নির্মিত ৪০ ফুট লম্বা এই টাওয়ারটির বর্তমানেও অস্তিত্ব রয়েছে সাবলীলভাবে। জলের মাধ্যমে বিশেষভাবে চালানো হতো এই ঘড়ি। সেজন্যেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই ঘড়িটি সর্বত্র পরিচিতি রয়েছে ওয়াটার ক্লক নামে। পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সূর্যঘড়ির পরেই ওয়াটার ক্লকের আবির্ভাব। অবশ্য এই টাওয়ারের উপরেও একটি সূর্যঘড়ি রয়েছে।

তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

অর্থসূচক/টি এম/কে এম

এই বিভাগের আরো সংবাদ