উদ্ভট সব জাদুঘরের খোঁজে
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

উদ্ভট সব জাদুঘরের খোঁজে

উদ্ভট সব জিনিসগুলো সাধারণত মজারই হয়। আর জাদুঘর মানেই হারিয়ে যাওয়া ব্যতিক্রমী সব জিনিসের সংগ্রহশালা। আর এই সংগ্রহশালা যদি হয় উদ্ভট ও আজব সবকিছুর সম্ভার, তাহলে সেসব নিয়ে জানার কৌতূহলটা বেড়ে যায় বহুগুণ।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক পৃথিবীর উদ্ভট কিছু জাদুঘরের গল্প।

মেগুরো প্যারাসাইটোলজিক্যাল মিউজিয়াম, টোকিও

মেগুরো প্যারাসাইটোলজিক্যাল মিউজিয়াম, টোকিও
জাপানের টোকিওতে এই জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে নানান পরজীবী প্রাণী, জীবাণু ও কীটাণু দিয়ে। ১৯৫৩ সালে ডক্টর সাতোরু কামেগাই নামে একজন কীটতত্ত্ববিদ অনেকটা শখের বশেই এটি চালু করেন। এখানে ৬০,০০০ এরও বেশি পরজীবী প্রাণী এবং এ বিষয়ক ৫০,০০০ বই রয়েছে। বিভিন্ন রকমের পোকা-মাকড়, কেঁচো, নানাজাতের সূক্ষ্ম কৃমি, ছারপোকা, মশা, উঁকুন ছাড়াও এখানে রয়েছে নাম না জানা অনেক কীট।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিপ্টোজুওলজি মিউজিয়াম, পোর্টল্যান্ড

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিপ্টোজুওলজি মিউজিয়াম, পোর্টল্যান্ড

যুক্তরাষ্ট্রের মেইন, পোর্টল্যান্ডে অবস্থিত এই অদ্ভুতুড়ে জাদুঘরটি। ‘ক্রিপ্টোজুওলজি’ কথাটির আক্ষরিক অর্থ হলো গুপ্ত প্রাণী নিয়ে গবেষণা করা। রূপকথা, কল্পকাহিনী বা সাহিত্যে আমরা যেসব প্রাণী দেখতে পাই বা জানতে পারি সেগুলোর কোনটিই বাস্তবে নেই। আর এই জাদুঘরটি কাজ করে যাচ্ছে এমনই সব প্রাণীদের নিয়ে। ক্রিপ্টোজুওলজি মিউজিয়ামটি মানুষের কল্পনা ও বাস্তবের এক অনন্য মেলবন্ধনের প্রতিফলন।

সুলভ ইন্টারন্যাশনাল মিউজিয়াম অব টয়লেট, ইন্ডিয়া

সুলভ ইন্টারন্যাশনাল মিউজিয়াম অব টয়লেট, ইন্ডিয়া
টয়লেট দেখতে হাজারো মানুষের ভিড়। শুনতে নিশ্চয় আজব মনে হচ্ছে? আসলেই এমনটি হয় দিল্লির এই মিউজিয়ামে। আজগুবি এই জাদুঘরে গেলে দেখতে পাবেন টয়লেট নিয়ে সাড়ে চার হাজার বছরের সব ইতিহাস। এখানে রয়েছে সাধারণ থেকে শুরু করে কারুকার্যমণ্ডিত সব টয়লেট। এমনকি ভিক্টোরিয়ান টয়লেটও আছে! এখানে সবচাইতে আজব একটি টয়লেট আছে যেটা আসলে একটা বুক কেস। টয়লেটটি লুকিয়ে আছে বইয়ের তাকে এবং ব্যাপারটি সত্যিই বিস্ময়কর!

কানকুন মেরিন পার্ক, মেক্সিকো

কানকুন মেরিন পার্ক, মেক্সিকো
নামে পার্ক হলেও আসলে এটি একটি জাদুঘর। সমুদ্রপৃষ্ঠের ১০ মিটার নিচে ৪০০টি ভাস্কর্যে নানা মানুষের প্রতিমূর্তি নিয়ে সাজানো এই ভিন্ন জাদুঘরটি। মেক্সিকোর ক্যারিবিয়ান সমুদ্র সৈকতের কাছে এই ভাস্কর্যগুলো তৈরি করেছেন জেসন দ্য ক্লেয়ার্স টেইলর। তিনি যুক্তরাজ্যের একজন বিখ্যাত ভাস্কর। মূলত এই জাদুঘরটি ‘লাইফকাস্টস’ প্রকল্পের প্রতিচ্ছবি। আর এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো মাত্রাতিরিক্ত ভ্রমণকারীর সংখ্যা কমানো এবং নতুন করে বিলুপ্ত প্রায় প্রবাল-প্রাচীর গড়ে তোলা।

তথ্য সূত্র : ইন্টারনেট

অর্থসূচক/টি এম/কে এম

এই বিভাগের আরো সংবাদ