'ক্ষতিগ্রস্ত হবে স্টিল মিল ও জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘ক্ষতিগ্রস্ত হবে স্টিল মিল ও জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প’

প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়িত হলে দেশের জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প ও স্টিল মিলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)।

আজ সোমবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সংগঠনটি এই তথ্য জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিএসবিআরএর নির্বাহী সদস্য মাস্টার আবুল কাশেম জানান,  ২০১৭-১৮ সালের প্রস্তাবিত বাজেট স্ক্র্যাপ জহাজ আমদানিতে টন প্রতি কর ৭ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। যা গত অর্থবছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা ছিল। অর্থাৎ প্রতি টনে কর বেড়েছে ৫ হাজার টাকা।এই অস্বাভাবিক কর বৃদ্ধির কারণে দেশের জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ শিল্পে বিনিয়োগকারী ব্যাংকসমূহও ক্ষতির সম্মুখীন হবে। দেশের সকল রি-রোলিং মিলস ও স্টিল মিলগুলোতে এর প্রভাব পড়বে। রড, অ্যাংগেল, বার ইত্যাদি লৌহজাত সামগ্রীর মূল্য প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা বেড়ে যাবে। যা দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করবে। এতে করে সাধারণ মানুষ কিংবা বড় নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠানের খরচ বাড়বে।

তিনি জানান, স্বাধীনতার পর থেকে দেশে ৫০০টিরও বেশি রি-রোলিং ও স্টিল মিল গড়ে ওঠেছে। এ শিল্পে বছরে প্রায় ৪০ লাখ মেট্রিক টন কাঁচামাল (স্ক্র্যাপ) প্রয়োজন হয়। এ চাহিদার ৮০ শতাংশ যোগান দিয়ে আসছে দেশের জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প। যার ফলে লোহার স্ক্র্যাপ আমদানি খাতে বিপুল পরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে। এ শিল্প থেকে সরবরাহ করা স্ক্র্যাপ লোহা দেশের রি-রোলিং কারখানা ও স্টিল মিলগুলো গড়ে ওঠেছে। এসব কারখানার লৌহ জাতীয় সামগ্রী পদ্মা সেতুসহ দেশের অসংখ্য সেতু, কালভার্ট, ফ্লাইওভার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মিল-কারখানা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএসবিআরএ’র প্রেসিডেন্ট মো: আবু তাহের, নির্বাহী সদস্য এনইউএম জাহাঈীর চৌধুরী, কামাল উদ্দিন আহমদ, আনোয়ারুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দেবব্রত/এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ