বাজেট বাস্তবায়ন সহজ হবে না: এফআইসিসিআই
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বাজেট বাস্তবায়ন সহজ হবে না: এফআইসিসিআই

আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাবনা গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটের পরিমাণ ২৬ দশমিক ১৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বছরের ব্যবধানে বাজেটের আকার ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এবারের বাজেট বাস্তবায়ন সরকারের জন্য সহজ হবে না।

FICCI

ফরেন ইনভেস্টর’স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির লোগো।

প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা করে ফরেন ইনভেস্টর’স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) দেওয়া বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, আগামী অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে আমরা মনে করি। স্থায়ী প্রবৃদ্ধির জন্য জিডিপি-বিনিয়োগের অনুপাতও বাড়ানো উচিৎ।

স্বাস্থ্য সেবা, পরিবহন, যোগাযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছে এফআইসিসিআই। অন্যদিকে সামাজিক নিরাপত্তা এবং কৃষি খাতে বরাদ্দ কমানোকে উদ্বেগজনক হিসেবে দাবি করেছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এবারের বাজেট প্রস্তাবে ১ জুলাই থেকে অনলাইন ভ্যাট পদ্ধতি চালু; ই-টিআইএনধারীর সংখ্যা বাড়ানো; উৎপাদনের কাঁচামাল থেকে কর প্রত্যাহার; ট্যাক্স এবং নির্দিষ্ট পরিষেবায় ফি ও কর কমিশন সংগ্রহ পদ্ধতি সহজীকরণ; বৈদেশিক কোম্পানি ও শাখাগুলোর সহায়ক সংস্থার আয়ের প্রান্তিককরণসহ নানা পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। এগুলো দেশের ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অন্তত্য ইতিবাচক। এর জন্য অর্থমন্ত্রীকে আমরা সাদুবাদ জানাই।

অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে প্রস্তুত পণ্যের উপর সম্পূরক শুল্ক অব্যাহত; নতুন ভ্যাট আইনে স্থানীয় সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত বিদেশি কোম্পানির উত্পাদিত পণ্যের মূল্য এবং এসডিতে বৈষম্য; ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাস্তবায়নসহ নানা ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এফআইসিসিআই।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ