ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদকারীরা কারাগারে
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদকারীরা কারাগারে

সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদ বিক্ষোভ থেকে গ্রেপ্তার চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

আজ সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাদের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করে দেন।

Tear Gas

সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিলে রঙিন পানি ছুড়েছে পুলিশ।

আসামিরা হলেন- ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা কলেজ শাখার সভাপতি মোর্শেদ হালিম, ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী জয় ও উদীচীর আরিফুর।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সোহেল আহমেদ ও জীবনানন্দ জয়ন্ত। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা মকবুলুর রহমান।

এর আগে, সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদের ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। পুলিশ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় শুক্রবার রাতে পেনাল কোডের ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৩৩২, ৩৩৩, ৩৫৩, ৩০৭ ও ৪২৭ ধারায় মামলাটি দায়ের করে। এই ধারাগুলোর মধ্যে ৩০৭ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগও আনা হয়েছে।

উল্লেখ, ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদে শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গতকাল দুপুরের দিকে ছাত্র ইউনিয়ন, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ও ব্লগার, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, গণজাগরণ মঞ্চ, ছাত্র-শিক্ষক-লেখক-শিল্পী-সাংস্কৃতিক কর্মী, নাগরিকবৃন্দসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রঙিন পানি ছিটিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে আহত হন ১০ জন।

ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশের মূল ফটক বরাবর লিলি ফোয়ারায় ভাস্কর্যটি বসানো হয়। দেড় মাসের মাথায় এটিকে গ্রিক দেবীর মূর্তি দাবি করে অপসারণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের দপ্তরে লিখিত আবেদন জানান আওয়ামী ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী। এরপর গত ৬ ফেব্রুয়ারি হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফী বিবৃতি দিয়ে ভাস্কর্যটি অপসারণের দাবি জানান। দাবি আদায় না হলে তারা কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন। হেফাজতের সর্বশেষ বিবৃতিতে রমজান মাস শুরু হওয়ার আগেই ভাস্কর্যটি অপসারণের দাবি জানানো হয়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ