লিভার ফ্যাট কমাতে তেঁতুল
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

লিভার ফ্যাট কমাতে তেঁতুল

উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাসিডিটি বা ক্লান্তি। যে দুটো বিষয়ের ইঙ্গিত করে তা হলো আমাদের লিভার ভারী হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ফ্যাট পরিপাক বিঘ্নিত হচ্ছে। ফ্যাট পরিপাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় লিভার। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা ও সঠিক মাত্রায় উৎসেচক উত্পন্ন করে শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, গ্লাইকোজেনের মাত্রা ঠিক রাখে। শরীরের কোন অঙ্গই লিভারের বিকল্প হতে পারে না, তাই লিভার সুস্থ রাখা সুস্বাস্থ্যের প্রথম ধাপ।

তেঁতুল। ফাইল ছবি।

লিভারে সামান্য ফ্যাট জমলে তা বিশেষ চিন্তার কিছু নয়। কিন্তু যদি লিভারের ওজনের ৫-১০ শতাংশই ফ্যাট হয়ে যায় তা হলে স্টিটোসিস বা ফ্যাটি লিভার বলা। অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলেও এই সমস্যা হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই সমস্যার প্রথম লক্ষণ দেখা দিতে অনেক বছর লেগে যায়। পেটের উপরের ও মাঝের দিকে যন্ত্রণা, বমি ভাব, ক্লান্তিু, খিদে কমে আসা, মনোসংযোগের অভাব হয়।

তেঁতুল লিভার ও পুরো শরীর থেকে অতিরিক্ত ফ্যাট দূর করতে সাহায্য করে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে রান্নার অন্যতম উপাদান তেঁতুল। রসালো ও সুস্বাদু ফল তেঁতুল দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের রান্নাতেও প্রচুর ব্যবহৃত হয়। টাটকা কাঁচা তেঁতুল এক বছর রেখে দিলেও নষ্ট হয় না, গন্ধও থাকে অক্ষত।

তেঁতুলের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল, ভিটামিন ও ডায়েটারি ফাইবার। তেঁতুলের ক্কাথ পলিস্যাকারাইড বা ডায়েটারি ফাইবার যেমন টায়ারস, হেমিসেলুলোজ, পেকটিন, মিউকাস ও ট্যানিনের উত্কৃষ্ট উত্স। ১০০ গ্রাম ক্কাথে ৫১ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার থাকে। এই ফাইবার খাবারের টক্সিন শরীরে পৌঁছতে দেয় না। কোলনকে টক্সিনের হাত থেকে রক্ষা করে।

তেঁতুল ছবি।ফাইল ছবি।

এ ছাড়াও তেঁতুলে থাকে ওয়াইন অ্যাসিড, টার্টারিক অ্যাসিড। যা খুবই শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। কপার পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি, নিয়াসিন, থিয়ামিন, ফোলিক অ্যাসিড, রাইবোফ্লাভিনে ভরপুর তেঁতুল। এই সব ভিটামিনের অধিকাংশই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে। যা উৎসেচকের সঠিক কার্যকারিতায় সাহায্য করে। এক লিটার জলে দু’মুঠো তেঁতুল দিয়ে ব্লেন্ডারে ক্কাথ তৈরি করে সারা দিন ধরে এই ক্কাথ অল্প অল্প করে খেতে পারেন। লিভারের পাশাপাশি শরীরের ফ্যাটও কমবে।

অর্থসূচক/তাবাচ্ছুম/কাঙাল মিঠুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ