কিউইদের ২৭০ রানে বেঁধে দিল টাইগাররা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

কিউইদের ২৭০ রানে বেঁধে দিল টাইগাররা

নিউজিল্যান্ডকে শেষ পর্যন্ত ২৭০ রানে বেধে দিয়েছে বাংলাদেশ। র‌্যাংকিংয়ে ছয়ে উঠতে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২৭১ রান।

ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আগের ম্যাচেই নিশ্চিত করেছিল নিউজিল্যান্ড। শেষ ম্যাচটি তাদের জন্য আনুষ্ঠানিকতার হলেও বাংলাদেশের জন্য ষষ্ঠ র‌্যাংকিংয়ে ওঠার মিশন এটি। তাই গুরুত্ব দিয়েই মাঠে নেমেছিল টাইগাররা।

ওয়ালটন ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে টস জিতে কিউইদের ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি-বিন মুর্তজা। ডাবলিনের ক্লোনটার্ফে বাংলাদেশ সময় আজ বিকেল পৌনে ৪টায় শুরু হয় ম্যাচটি।

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ ফিল্ডিং নিয়ে দারুণ শুরুর আভাস দিয়েছিলেন। চতুর্থ ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন মোস্তাফিজুর রহমান। লুক রঞ্চিকে মাত্র ২ রানে সাকিবের ক্যাচ বানান আগের ম্যাচসেরা বোলার। তবে আরও আগেই উইকেট পেতে পারত বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই টম ল্যাথামকে ফেরাতে পারতেন মাশরাফি, কিন্তু দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা নাসির স্কয়ার লেগে ক্যাচ ছেড়ে দেন। ১৫তম ওভারে আরেকবার জীবন পান ল্যাথাম। মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে জীবন পাওয়ার আগের বলে হাফসেঞ্চুরি করেন এ ওপেনার। নাইল ব্রুমের সঙ্গে ১৩৩ রানের জুটি গড়েন ল্যাথাম।

অবশেষে তাদের দুজনকে পরপর দুই ওভারে ফেরান নাসির। ল্যাথামকে সেঞ্চুরি করতে দেননি তিনি।  ইনিংস সেরা ৮৪ রানে তাকে বোল্ড করেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। তবে তার আগে ৬৩ রানে ব্রুমকে ফেরান নাসির। দুই বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরলেও রস টেলর ও কোরি অ্যান্ডারসনের ব্যাটে পথে ফিরছিল নিউজিল্যান্ড। দলীয় ২০৮ রানে সাকিবের আঘাত বড় ধাক্কা দেয় তাদের। অ্যান্ডারসনকে ২৪ রানে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ বানান এ অলরাউন্ডার। ম্যাচের মোড় আরও ঘুরে যায় কিউইরা পরপর তিন ওভারে ৩ উইকেট হারালে। মাশরাফি তার দুই ওভারে জিমি নিশাম ও কলিন মুনরোকে ক্রিজ থেকে বিদায় করেন। মাঝে সাকিব তার দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন মিচেল স্যান্টনারকে বোল্ড করে।

রানের গতি তখন থেকে মন্থর হয়ে যায় কিউইদের। রুবেল হোসেনের কাছে অষ্টম উইকেটের পতন ঘটে ২ ওভার বাকি থাকতে। এ পেসার বোল্ড করেন ম্যাট হেনরিকে। একপ্রান্ত আগলে রেখে হাফসেঞ্চুরি পাওয়া টেলরকে শিকার করতে পারতেন রুবেল। কিন্তু লং অনে দাঁড়ানো মাহমুদউল্লাহ সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন। ৫৬ বলে ৬০ রানে অপরাজিত ছিলেন টেলর।

সাকিব, মাশরাফি ও নাসির সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ