'চট্টগ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-বাড়ির ছাদে হবে বাগান'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘চট্টগ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-বাড়ির ছাদে হবে বাগান’

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বাড়ির ছাদে বাগানের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৫০টি বাড়ি র্নিধারণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ‘গ্রিন সিটি ক্যাম্পেইন-ছাদ বাগান’ প্রকল্পের আওতায় এর কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দামপাড়ার বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাদে ‘ছাদ বাগান’ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হবে।

আজ মঙ্গলবার ‘ছাদ বাগান কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এসব এসব কথা বলেন চসিক মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন। তিলোত্তমা চট্টগ্রাম বাস্তবায়নে গ্রিন সিটি ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যে নগর ভবনের কেবি আবদুচ ছাত্তার মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

nasir

চসিক মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন।

মেয়র বলেন, নগরীকে একটি গ্রিন সিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে ছাদ বাগান কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পৃথিবীকে বাঁচাতে; নিজেদেরকে বাঁচাতে সবুজ বিপ্লব শুরু করেছি। নগরবাসীকে সচেতন করতে আমাদের এই পদক্ষেপ। কেউ আমাদের অনুসরণে নিজের ভবনের ছাদে বাগান করতে আগ্রহী হলে অবশ্যই তাদের সহায়তা করবো। যাদের ছাদে বাগান হবে- তারাই উপকৃত হবেন।

তিনি জানান, সড়ক, সড়ক-দ্বীপ, মিড আইল্যান্ড ও ফুটপাতে সবুজায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ৪১ ওয়ার্ডের অফিস, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, বাড়ির ছাদে বাগান কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছাদ বাগান বাস্তবায়নকারী পক্ষকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে গাছের চারা, সার ও প্রশিক্ষণ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেন, নগরীর সব দেওয়ালে মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে। চারুকলার শিক্ষার্থীদের সহায়তায় জামালখানের ডা. খাস্তগীর স্কুলের মতো করে সব দেওয়াল সাজানো হবে।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর খুব কম শহর আছে যেখানে চট্টগ্রামের মতো সমুদ্র, পাহাড়, নদী, সমতল রয়েছে। এখন দখল, দূষণে কনক্রিটের জঞ্জালে পরিণত হয়েছে নান্দনিক চট্টগ্রাম। জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়েছে; এখনই সময় ঘুরে দাঁড়ানোর। তাই ছাদ বাগান কর্মসূচি নিয়েছি।

নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন উদ্যোগের পরিকল্পনা তুলে ধরে মেয়র বলেন, বিমানবন্দর সড়কসহ প্রতিটি ফুটপাত, মিড আইল্যান্ড, ডিভাইডার দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজানো হবে। পার্কিং স্পেস নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। জুন থেকে ৫৮ কিলোমিটার সড়ক নন সোলার এলইডি লাইটের আওতায় আনা হবে। পুরো নগরীকে আলোকিত করা হবে। আমার মেয়াদের মধ্যে সব উদ্যোগ দৃশ্যমান হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ.কে.এম. রেজাউল করিম, চসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম, তিলোত্তমা চট্টগ্রামের উপদেষ্টা আমিনুল হক বাবু, প্রকল্প পরিচালক আলী মর্তুজা, চসিকের সচিব মো. আবুল হোসেন, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম প্রমুখ।

অর্থসূচক/দেবব্রত/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ