ভেজাল প্রতিরোধে উৎপাদকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ভেজাল প্রতিরোধে উৎপাদকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

ভেজাল প্রতিরোধে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি অসাধু উৎপাদকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী জনাব আমির হোসেন আমু। তিনি আজ এক আলোচনায় সভায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশনের (বিএসটিআই) কর্মকর্তাদের এই নির্দেশ দেন।

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস-২০১৭ উপলক্ষে বিএসটিআই আয়োজিত ‘পরিমাপ পরিবহনের নিয়ন্ত্রক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নকল ও ভেজাল প্রতিরোধ করতে হলে, যেসব কারখানায় নকল ও ভেজাল পণ্য উৎপাদন হয়, সেখানেই প্রথমে অভিযান চালাতে হবে।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআই মিলনায়তনের এই সভায় মন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্যে বিএসটিআইতে কর্মরত সবাইকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে পরিমাপের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন,  যেকোন পণ্য উৎপাদন কিংবা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি তৈরির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাপের কাঁচামাল ব্যবহার করা জরুরি। এর ব্যত্যয় হলে, উৎপাদিত পণ্য জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হতে পারে। তিনি অবকাঠামো নির্মাণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পণ্য ওজন, যানবাহন তৈরিসহ সকল ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপ অনুসরণের তাগিদ দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন। বিএসটিআই’র মহাপরিচালক মোঃ সাইফুল হাসিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া, এনডিসি বক্তব্য রাখেন এবং  বিএসটিআই’র পরিচালক (মান) জনাব আ.ন.ম আসাদুজ্জামান আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জননিরাপত্তার জন্য পরিবহনখাতে পরিমাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তৈরি পোশাক শিল্পের পর ওষুধ শিল্পখাতে মান নিয়ন্ত্রণের ফলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি ওষুধ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখলে সক্ষম হয়েছে। পরিবহনখাতে মান নিয়ন্ত্রণ করে দেশে রপ্তানিমুখী নতুন শিল্পখাত গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি জনগণের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান।

শিল্পমন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, সারা বিশ্বে জনগণের নিরাপত্তা ও ব্যবসায়-বাণিজ্য আস্থাশীল পরিবহন ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে পরিবহনের ধারণক্ষমতার সমপরিমাণ ওজন পরিবহন নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক; তাহলে পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও সার্বিক উন্নয়নে দেশ আরো একধাপ এগিয়ে যাবে বলে তাঁর দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস।

বিএসটিআই’র বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক অর্জনের কথা তুলে ধরে সংস্থাটির মহাপরিচালক বলেন, বিএসটিআই’র কয়েকটি ল্যাবরেটরি, প্রোডাক্টস সার্টিফিকেশন সিস্টেম এবং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্টিফিকেশন এ্যাক্রিডিটেশন তথা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। ইতোমধ্যে বিএসটিআই’র ন্যাশনাল মেট্রোলজি ল্যাবরেটরির ৬টি ল্যাব নরওয়েজিয়ান এ্যাক্রিডিটেশন এবং বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড থেকে এ্যাক্রিডিটেশন অর্জন করেছে। বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে রপ্তানি বাণিজ্যে বাধা অপসারণে এ্যাক্রিডিটেড ল্যাবরেটরিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

টি

এই বিভাগের আরো সংবাদ