ক্যামেরা না থাকায় বিয়ে ভণ্ডুল!
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

ক্যামেরা না থাকায় বিয়ে ভণ্ডুল!

বিয়ের সব আয়োজন ঠিকঠাকই ছিল। পাত্র-পাত্রী এবং তাদের আত্মীয় স্বজনরা সবাই উপস্থিত। সময় মতো বিয়ের অনুষ্ঠানও শুরু হয়ে গেল। কিন্তু, বিয়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসল পাত্রীপক্ষ। পাত্রীর বাবা, ভাই ও অন্যান্য আত্মীয়রা বলে ওঠেন, ‘এ বিয়ে হবে না।’ বিয়ের শেষ মুহূর্তে এ রকম দাবি তোলাতে পাত্রপক্ষের সবাই হতবাক।

প্রতীকী ছবি।

কী কারণে এই দাবি তুলছেন তা জানতে সবাইকে অবাক করে দিয়ে পাত্রীপক্ষ জানায়, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠানে ভিডিও করা হবে। তোলা হবে ছবিও। কিন্তু অনুষ্ঠানের সময় ফোটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাফারকে না দেখতে পেয়ে তারা বিয়েতে রাজি না। যখন এ রকম অবস্থা চলছে, তার মধ্যেই জ্ঞান হারান পাত্রী। তাকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন আত্মীয়রা।

এ দিকে, পাত্রীপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে পাত্রপক্ষও ছোটে পুলিশের কাছে। পাত্র আবার নিজে পুলিশকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন পাত্রীপক্ষকে মানাতে। সেখানেও আর এক ঝামেলা। এতক্ষণ পাত্রীপক্ষ মানছিলেন না, কিন্তু এ বার সঠিক আয়োজন না করে পাত্র তার বাবাকে অপমান করেছে বলে বেঁকে বসলেন পাত্রীও।

পুরো ঘটনাটি ঘটেছে চেন্নাইয়ের ত্রিচিতে। পাত্র সেন্থিল (৩২) এবং পাত্রী রেবতী (৩০)। শুরু থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের কথা নিয়ে ঝামেলা চলছিল। সেন্থিল লরি চালায়। টাকা-পয়সা খুব একটা রোজগার করেন না। তবে রেবতীর বাবা চেয়েছিলেন বিশাল ধুমধাম করে মেয়ের বিয়ে দেবেন। সেই মতো পাত্রপক্ষের সঙ্গে কথাও হয়। কিন্তু পাত্রীপক্ষের দাবি, কথামতো কোনও আয়োজনই করেননি সেন্থিল। ভিডিও করা ও ছবি তোলার কথা ছিল সেটাও করেননি।

মূলত ঝামেলার সূত্রপাত সেখান থেকেই।

সূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা।

অর্থসূচক/কাঙাল মিঠুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ