বনানীর ধর্ষণ: গাড়িচালকের ৪ ও দেহরক্ষীর ৩ দিনের রিমান্ড
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বনানীর ধর্ষণ: গাড়িচালকের ৪ ও দেহরক্ষীর ৩ দিনের রিমান্ড

রাজধানীর বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনকে ৪ দিন ও দেহরক্ষী রহমত আলীর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার মহানগর হাকিম লস্কর সোহেল রানা তাদের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে বেলা ৩টার দিকে বিল্লাল হোসেন ও রহমত আলীকে আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।

সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী রহমত আলী। ছবি সংগৃহীত

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটনের জন্য এই আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। শুনানি শেষে আদালত বিল্লাল হোসেনকে ৪ দিন ও রহমত আলীকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সোমবার রাতে ঢাকা থেকে বিল্লাল ও দেহরক্ষী রহমত আলীকে গ্রেপ্তার করে র্যা ব ও গোয়েন্দা। সাফাতের সঙ্গে এই ২ জনও ধর্ষণের ওই মামলার আসামি।

এর আগে গত ১১ মে সাফাতকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন আরেক আসামি সাদমান শাকিফ।

সাফাত ও সাদমানকে ৬ দিন ও ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাফাত ঘটনার সত্যতা প্রকাশ করেছেন।

সাদমান পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে। আর সাফাত আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেনের ছেলে।

৫ আসামির মধ্যে নাঈম আশরাফ বা হাসান মোহাম্মদ হালিম এখনও পলাতক রয়েছে।

মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে সাফাত ও নাঈম দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছিলেন। অন্য ৩ জন ছিলেন সহায়তাকারী।

অভিযোগকারী তরুণীর তথ্যমতে, পীড়াপীড়িতে বাধ্য হয়ে ২৮ মার্চ রেইনট্রি হোটেলে সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তারা, তাদের নিতে গাড়ি নিয়ে এসেছিলেন সাফাতের গাড়িচালক ও দেহরক্ষী।

ধর্ষণের সময় দেহরক্ষী রহমতকে দিয়ে ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন ওই তরুণী।

এস

এই বিভাগের আরো সংবাদ