‘ধর্ষণের ঘটনায় রেইন ট্রি হোটেলই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত’
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘ধর্ষণের ঘটনায় রেইন ট্রি হোটেলই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত’

বনানীর রেইন ট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ওই হোটেলই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার বেলা দুপুরের দিকে রেইন ট্রি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান গ্রুপের জিএম রাজা গোলাম মোস্তফা। তবে এই সংবাদ সম্মেলনে হোটেল কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট কোনো বক্তব্য আসেনি। ওই সংবাদ সম্মেলনে কার্যত কৌশলী অবস্থান নেয় কর্তৃপক্ষ।

গোলাম মোস্তফা তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, দেশজুড়ে আলোচিত এ ঘটনার বিচার চান তারা, বেরিয়ে আসুক প্রকৃত ঘটনা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এইচ এম আদনান হারুন। তিনি ঝালকাঠি-১ আসনের সাংসদ বি এইচ হারুনের ছেলে।

আদনান হারুন দাবি করেন, তাদের হোটেলটি ‘সফট ওপেনিং’ পর্যায়ে আছে। এ সময় কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে।

আদনান হারুন বলেন, ঘটনার দিন হোটেলের ৭০০ ও ৭০১ নম্বর স্যুইট ভাড়া নিয়েছিলেন সাফাত। এদিন রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত হোটেলে অবস্থান করছিলেন হোটেলের মহাব্যবস্থাপক ফ্র্যাঙ্ক ফরগেট। এই সময় পর্যন্ত তিনি অস্বাভাবিক কোনো কিছু লক্ষ্য করেননি।

এ বিষয়ে আজ প্রশ্ন করলে আদনান হারুন বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তিনি কিছু বলবেন না।

ফুটেজ মুছে যাওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়, ইচ্ছাকৃতভাবে ফুটেজ মুছে ফেলার যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। হোটেলের সুনাম নষ্ট করার জন্য এমন করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে হোটেলে শুল্ক গোয়েন্দাদের অভিযান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।

উল্লেখ, গত ২৮ মার্চ বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে সাফাত আহমেদ নামে এক বন্ধুর জন্মদিনে যোগ দিতে গিয়েই বন্ধুদের যোগসাজশে ধর্ষণের শিকার হন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া দুই তরুণী। ওই ঘটনায় ৪০ দিন পর ৬ মে (শনিবার) সন্ধ্যায় বনানী থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সাদনান সাকিফ, তার বন্ধু সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের ড্রাইভার বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী।

টি

এই বিভাগের আরো সংবাদ