পাওয়ার প্লান্টের অনুমতি পেল ডরিন পাওয়ার
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

পাওয়ার প্লান্টের অনুমতি পেল ডরিন পাওয়ার

১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের অনুমতি পেয়েছে ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নতুন এই প্রকল্পের জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডকে (বিপিডিবি) প্রকল্প ঘোষণাপত্র প্রদান করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের এ প্রতিষ্ঠানটি।

কোম্পানিটির এই প্রকল্পটি চাঁদপুরে স্থাপন করা হবে। ১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পাওয়ার প্লান্টের এই হেভি ফুয়েল অয়েল (এইচএফও) জালানি বিদ্যুত উৎপাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর জন্য বিপিডিবির সঙ্গে ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড এবং ডরিন পাওয়ার হাউজ অ্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেড চুক্তি সম্পন্ন করেছে।

জানা গেছে, এই প্রকল্পে ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের ৬০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। বাকি ৪০ শতাংশ ডরিন পাওয়ার হাউজ অ্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেডের।

সূত্র জানায়, বিপিডিবি’র সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) ১৮ মাসের মধ্যে কোম্পানিটি বানিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারবে। যার মেয়াদ হবে ১৫ বছর। অর্থাৎ প্লান্ট নির্মাণের পর ১৫ বছর পর্যন্ত এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুত কিনবে সরকার। যার প্রতি ইউনিট ৭ টাকা ৯২ পয়সা দরে কিনবে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ এপ্রিল ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমসের তিনটিসহ নতুন সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেয় ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটি। চলতি বছরের ৫০তম সভায় নতুন এই কেন্দ্রগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৮ সাল নাগাদ উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়ে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক ১০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের দরপত্র আহ্বান করে বিপিডিবি। ২০১৫ সালে ডলারের বিপরীতে ৭৮ টাকা ৬৬ পয়সা বিনিময় হার ধরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দর ১০ দশমিক ৪৩ সেন্ট ধার্য করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডলারের বর্তমান বিনিময় হার হিসাব করে দর প্রস্তাব করে দেশি বেশ কয়েকটি কোম্পানি। কয়েকটি বিদেশি কোম্পানিও দর প্রস্তাব করেছিল।

ওই সব কোম্পানি থেকে বাছাই করে গত নভেম্বরে ছয়টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য একটি প্রাথমিক তালিকা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আরেকটি কেন্দ্রের জন্য প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হয়। সর্বশেষ ৮ ডিসেম্বর বাকি তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্যও সর্বনিম্ন দর প্রস্তাবকারীদের বাছাই করা হয়। কিন্তু তিনটি কোম্পানির আগের পারফরম্যান্স ভালো নয় এমন অজুহাতে তালিকা থেকে তিনটি কেন্দ্রের নাম বাদ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যুৎ বিভাগ।

অর্থসূচক/মুন্নাফ

এই বিভাগের আরো সংবাদ