দেশের দুর্নীতি রোধে তাৎপর্যপূর্ণ ভুমিকা রাখছে দুদক : চেয়ারম্যান

acccবাংলাদেশর দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদক তাৎপর্যপূর্ণ ভুমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান। তবে দুর্নীতিকে সমূলে উৎপাটনের জন্য সবাইকে একসাথে অঙ্গিকার করে কাজ করতে হবে বলে জানান তিনি।

সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের অবস্থার উন্নতি হওয়া প্রমান করে দেশের দুর্নীতি দমনে দুদকের ভুমিকা তাৎপর্যপূর্ন। বাংলাদেশ এক সময় দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ছিলো সেখান থেকে ১৬ স্থানে যাওয়াটাকে দুদকের সফলতা হিসেবে দেখছেন তিনি।

তিনি বলেন, নতুন আইনের ফলে কমিশনের কাজের গতি অনেক কমে গেছে। কাজের প্রতি আগ্রহ এবং সাহসী হারিয়ে ফেলেছে দুদক কর্মকর্তারা। আমরা এ আইনটি থেকে বের হয়ে আসার পথ খুজছি। আশা করি আমাদের কাজের স্বাধীনতার কথা চিন্তা করে সরকার আইনি স্থগিত করে নতুন সংশোধনীটি বাতিল করবে।

টিআইবির দেওয়া তথ্যকে নাকচ করে দুদকের কমিশনার শাহাবুদ্দিন চুম্পু বলেন, শুধুমাত্র দুদকের প্রচেষ্টার ফলেই প্রতিবছর বাংলাদেশ দুর্নীতির সূচকে উন্নতি করছে। আমরা নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও এবছর ৩ ধাপ এগিয়েছি।

‘সবাই মিলে গড়বো দেশ দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে নানান কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরো্ধী দিবস পালন করছে দুদক।দিবসটি উপলক্ষ্যে র‌্যালি, মানব বন্ধন ও আলোচনা সভাসহ নানান কর্মসূচীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধী এ সংস্থাটি।

দিবসটি উপলক্ষ্যে সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে র‌্যালি বের দুদক। শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও দুর্নীতি বিরোধী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এছাড়া সাড়া দেশে র‌্যালি ও মানববন্ধন, কার্টুন ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, তরুণ সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পথ নাটক, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী এবং দুর্নীতিবিরোধী শপথ গ্রহণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘ এবং ২০০৪ সাল থেকে সারা বিশ্বে প্রতি বছর দিবসটি পালন করে আসছে। বাংলাদেশ ২০০৮ সাল থেকে দিবসটি পালন করছে।