‘পাটের অাভ্যন্তরীণ ব্যবহার বেড়েছে ২৫%’
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

‘পাটের অাভ্যন্তরীণ ব্যবহার বেড়েছে ২৫%’

পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন বাস্তবায়নের কারণে পাটের অাভ্যন্তরীণ ব্যবহার ২৫ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। আজ শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে ‘ইকো ফ্রেন্ডলি পাল্প অ্যান্ড পেপার প্রসেসিং ফরম জুট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

বক্তব্য রাখছেন পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম

যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং ইউএসএআইডি এগ্রিকালচারাল ভেলু চেইন (এভিসি) প্রজেক্ট।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাধ্যতামূলক পাটপণ্য আইন নিয়ে আমি মাঠে কাজ করেছি। আমি দেখেছি, কিভাবে একমাসের মধ্যেই এই আইনটি বাস্তবায়ন হয়। সকলের সহযোগিতায় আমরা পাটের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করতে পেরেছি।

প্রধানমন্ত্রী পাটের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে পরিমাণ পাট আমরা উৎপাদন করি, তার ১০ শতাংশও আমরা ব্যবহার করি না। আমাদের দেশে সেই সুযোগ নেই। অন্যদিকে ভারত যা উৎপাদন করে তার ২ শতাংশ রপ্তানি করে আর বাকি ৯৮ শতাংশ নিজেরা ব্যবহার করে। তারা রপ্তানি করে পাটের পণ্য। কিন্তু আমরা রপ্তানি করি কাঁচাপাট। তাই রপ্তানি নির্ভরতা কমাতে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন ২০১০ করেছেন। যা ইতোমধ্যেই আমরা বাস্তবায়ন করেছি।

পাট রপ্তানিতে ভারতের এন্টি ডাম্পি আরোপ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে আসলে আমাদের ত্রুটি রয়েছে। আমরা যারা পাট রপ্তানি করি, ত্রুটিটা তাদের। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ভারত তাদের প্রত্যেকটা ধাপ মেনেই এই এন্টি ডাম্পিং দিয়েছে। এখানে বলার কিছু নেই। তবে রাজনৈতিকভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি জানান, পাটের বহুমুখী রপ্তানিকারকদের জন্য ২০ শতাংশ প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী এটিকে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তবে কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে। এটির প্রজ্ঞাপণ জারি হয়নি। কৃষি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক মিলে এটি নিয়ে কাজ করছে। প্রজ্ঞাপন জারি হলে পাটের সঙ্গে যারা জড়িত প্রত্যেকেই কৃষিঋণসহ সকল সুযোগ সুবিধা পাবে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা পাট সংশ্লিষ্ট শিল্পে এগিয়ে আসুন। আমরা জমি দেবো। কেউ যদি পাট সংশ্লিষ্ট কোনো শিল্প করতে চান। তাহলে আমাদেরকে জানান। আমরা তাদের জমির ব্যবস্থা করে দিব।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিসিসিআইয়ের সভাপতি আবুল কাসেম খান। এছাড়া মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ জুট রিসার্স ইনিস্টিটিউটের ডিরেক্টর ড. আসাদুজ্জামান। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি মো. ফজলে ওয়াহিদ খন্দকারসহ আরও অনেকে।

অর্থসূচক/মেহেদী/এস

এই বিভাগের আরো সংবাদ