সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় খাদ্যশস্য পাঠানোর উদ্যোগ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

সাজেকের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় খাদ্যশস্য পাঠানোর উদ্যোগ

রাঙ্গামাটি জেলার সাজেকের দুর্গম এলাকার গ্রামগুলোতে খাদ্য সংকট দূর করতে হেলিকপ্টার যোগে জরুরিভিত্তিতে ২০ মেট্রিক টন চাল এবং ১০ লাখ টাকা বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।

আজ রোববার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মানজারুল মান্নান।

তিনি বলেন, জুমচাষে ফলন না হওয়ায় সাজেকের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় ত্রাণ বিতরণ চলছে। সাজেকের দুর্গত এলাকা গুলোতে খাদ্য বিতরণের জন্য জেলা প্রশাসক সেনাবাহিনীর কাছে হেলিকপ্টারের সহযোগিতা চেয়েছেন। শনিবার এসব এলাকায় খাদ্য সহায়তা পৌছানো হয়েছে। এছাড়া আগামী চারমাস দুর্গতদের বিশেষ ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান বলেন, সাজেক খুব দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। সেখানকার মানুষ নির্ভরশীল কেবল জুমচাষে উৎপাদিত ফসলের ওপর। বছরে জুমচাষ করে যা উৎপাদন করতে পারে তা দিয়ে চলে তাদের জীবন জীবিকা। আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, গত বছর প্রকৃতির বিরূপ আবহাওয়ার কারণে সেখানকার লোকজনের জুমচাষ ব্যাহত হয়। এতে ফসল উৎপাদন তেমন হয়নি।

তিনি আরো বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংকটের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে মানবিক বিবেচনায় দেখছে সরকার। সংকট মোকাবেলায় জরুরিভাবে পর্যাপ্ত খাদ্য ও অর্থ সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এটিকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাধ্যমে ১০ মেট্রিক চাল বিতরণ করা হয়েছে। আরও ১০ মেট্রিক টন বরাদ্দ দিয়েছে পার্বত্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া দুর্দশাগ্রস্তদের সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নগদ ১০ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে পার্বত্য মন্ত্রণালয় থেকে। জেলা প্রশাসনের জিআর কর্মসূচি হতে ২০ মেট্রিক টন চাল দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী পক্ষ হতেও বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তা ছাড়া পরবর্তী চার মাসের জন্য পরিবার প্রতি মাসে ২০ কেজি করে চাল বিতরণে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ